কিভাবে আপনার পারিবারিক সমস্যাগুলো সমাধান করবেন

আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কোন না কোন সময় পারিবারিক সমস্যা দেখা দিয়েছে । আর আমরা প্রত্যেকে জানি অন্যান্য সমস্যার থেকে পারিবারিক সমস্যা জটিল এবং খুব বেশি বেদনাদায়ক হয়ে থাকে । তবে এই পারবেনি সমস্যাগুলো সমাধান করা এবং আগের মত পরিবারকে সচল করার কিছু উপায় রয়েছে । পুরো বিষয়টা যদি আপনি চান অতি সহজেই হ্যান্ডেল করতে পারবেন । চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে পারিবারিক সমস্যার সমাধান করা যায় ।

 

পারিবারিক সমস্যা সমাধানের উপায়

 


✅অপেক্ষা করো – যখন আপনি সমস্যা নিয়ে আলোচনা শুরু করবেন তখন যথাসম্ভব অপেক্ষা করুন । ততক্ষণ পর্যন্ত আলোচনা থেকে উঠে আসবেন না বা রাগ করবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি সেটি সহ্য করতে পারছেন । তাই আপনি সমস্যাটা নিয়ে আলোচনা করার সময় রাগ না করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । পারিবারিক সমস্যা গুলো খুব বেদনাদায়ক হতে পারে । যদি আপনার পরিবারের সদস্যরা আপনার সাথে তর্ক করতে থাকেন সবাই সান্ত্বনা পর্যন্ত আপনি আপনার যুক্তি বা কোন কথা তাদের বলতে যাবেন না । আর যদি বলে ফেলেন তাহলে সমস্যা কমার থেকে বেড়ে যাবে বহুগুণে । অপেক্ষা করুন তবে আলোচনার ঝগড়াতে রূপান্তর থেকে আপনাকে সহায়তা করবে ।

✅ব্যক্তিগত ভাবে পারিবারিক সমস্যা মোকাবেলা করুন – অন্য কোন কিছু সাহায্য ছাড়াই নিজেই নিজের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন । এতে করে আপনার সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরবর্তী সমস্যা সমাধানে সেগুলো কাজে দেবে । কখনোই ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য ফোন কল ম্যাসেঞ্জার কিংবা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেবেন না । বড় সমস্যা সমাধানের জন্য সামনাসামনি গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন । এতে করে আপনার সমস্যা সমাধানের সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যাবে । এমনকি সামনাসামনি কথা বলার কারণে আপনার উপর রাগ করে থাকা মানুষটি আপনার উপর বিনয়ীভাবে আচরণ করবে । তাই নিজের সমস্যার সমাধান নিজেই করুন অন্য কারো সাহায্য এড়িয়ে চলুন ।


✅নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চান – পারিবারিক সমস্যা শুরু হয় কোন না কোন ভুলের মাধ্যমে । আর ভুল প্রত্যেক মানুষের জীবনে কম বা বেশি হয়ে থাকে । আর তাই এটি বিশেষ কোন অর্থ বহন করে না । নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া টা দোষের কিংবা লজ্জার কিছু নয় । তবে আপনি মনে করতে পারেন যে আপনি তো অন্যায় কিছু করেননি তাহলে ক্ষমা কেন চাইবেন । একবার ভেবে দেখুন তো আপনার ক্ষমা চাওয়া তো যদি একটা সমস্যার সমাধান তবে তো তাই ভালো । তবে এক্ষেত্রে ক্ষমা করা এবং ক্ষমা চাওয়ার গুন দুটোই নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে ।

✅আলোচনায় ইতিবাচক দিকগুলো বজায় রাখুন – আপনি যখন পরিবারের সাথে কথা বলবেন তখন আপনার ভাষা ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করুন । যথাসম্ভব ইতিবাচক আচরণ এবং ভাষার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব । এমন ভাষা কিংবা আচরণ থেকে বিরত থাকুন আপনার পরিবার কিংবা অন্য কারো জন্য খারাপ কোন ইঙ্গিত বহন করে । তাই এমন ভাবে আচরন করুন যেন আলোচনায় আপনার জন্য কেউ কষ্ট না পায় । সমস্ত প্রকার নেতিবাচক দিক এড়িয়ে চলুন । নেতিবাচকতা একটি খারাপ গুণ । তাই এটি এড়িয়ে চললে আপনার জন্যই ভালো হবে । কথা বলার সময় আপনার ভয়েস শান্ত এবং নিচু রাখুন এতে করে অপরপক্ষের মানুষটি মনে করবেন যে আপনি তার উপর বিনয়ী আচরণ করছেন । ফলে তিনি আপনার প্রতি সহায় হবেন । হতে পারে আপনার বিনয় সেই আচরণের কারণেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।


✅পরিবারের যে কোনো সদস্য আপনার প্রতি অবিচার করছে তাকে ক্ষমা করুন – এবিষয়টি অর্জন করা খুব কঠিন হতে পারে আপনার জন্য । কোন ব্যক্তিকে বা পরিবারের সদস্যকে ক্ষমা করা আমাদের পক্ষে খুব কঠিন হয়ে যেতে পারে । তবে সকল ক্ষেত্রে এরকমটা নাও হতে পারে । তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এরকম হয়ে থাকে যে আমরা যদি মনে করি সেই ব্যক্তিটি আমাদের উপর অবিচার করেছে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া সত্যিই খুব কষ্টসাধ্য । সে ক্ষেত্রে পরিবারের সেই সদস্য টি ওপর আপনার ক্ষোভ চরমসীমায় পৌঁছাতে পারে । যদি এরকমটা হয় যে যে কারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে সে কারণে আপনার পরিবারের সদস্য টি আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে বসে তিনি না করে তাকে ক্ষমা করে দিন । মনে রাখবেন প্রতিটি মানুষের জীবনেই অসম্পূর্ণ এবং প্রতিটি মানুষের জীবনেই ভুল থাকতে পারে তাই একসময় না একসময় আমার প্রয়োজন সকলেরই হয় ।


✅আসল সমস্যা চিহ্নিত করুন – আসলে সমস্যার মূলে কি চলছে তা খোঁজার চেষ্টা করুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন । আর তা না হলে মূল সমস্যা বাদ দিয়ে অন্য কোন সমস্যায় জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । তাই আসল সমস্যা চিহ্নিত করে সেইটি সমাধানের চেষ্টা করুন । আপনি হয়তো আপনার ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা কিংবা স্বাস্থ্য সমস্যার বিভিন্ন দিক লুকিয়ে পরিবারের সদস্য গুলোর কাছ থেকে দূরে । অথবা এটাও হতে পারে আপনার প্রিয় কোন মানুষ মারা গেছেন সেজন্য আপনি সব করছেন । সমস্যা সমাধানের জন্য অন্য লোকেরা কি ভাবছেন তা কখনোই বিবেচনা করবেন না । তারা কি ভাবছে তা আপনার জন্য জরুরী নয় বরং আপনার জন্য এটা জরুরি যে আপনার সমস্যার সমাধান কিভাবে করবে এবং কোন সমস্যার সমাধান টি আগে করবেন । আপনার সমস্যা নির্ধারণের জন্য আপনার পরিবারে কোন বিশ্বস্ত মানুষ আপনার সাহায্য করতে পারে । হতে পারে আপনার পিতা মাতা ভাই বোন বা অন্য কেউ । তাই এমন কাউকে খোঁজার চেষ্টা করুন যে সত্যিকারঅর্থে আপনার সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে এবং মূল সমস্যা খুঁজতে সাহায্য করবে ।

 

✅প্রশ্ন করুন – যেকোনো সমস্যা সমাধানের অন্যতম একটি উপায় হলো প্রশ্ন করা । আপনি যত প্রশ্ন করবেন ঠিক ততই জানতে পারবেন । সমস্যার জন্য এই বিষয়টি আরো বেশি কাজ করে । সমস্যার গভীরে যাওয়ার জন্য এবং সমস্যার সমাধান করার জন্য এর বিকল্প কিছু হতে পারে না । আপনি প্রশ্ন করে করে করে একদম সমস্যার গভীরে যেতে পারবেন । এতে করে আপনার সমস্যা সমাধান করতে আরো সহজ হবে । পারিবারিক সমস্যা সমাধানের বহু কারণগুলো নির্ণয় করার জন্য এটি ভালো একটি কৌশল । প্রশ্ন জিজ্ঞাস করা আলোচনাকে বিনয় করে তোলে এবং প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিটিকে আপনার উপর বিরক্ত হচ্ছে কিনা তানি না করে । পরিস্থিতি আরো উন্নতি করার জন্য আপনি চাইলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যকেও প্রশ্ন করতে পারেন । তবে আপনার প্রশ্নগুলো খোলামেলা হচ্ছে কিনা তা নির্ণয় করো । জটিলতা রেখে কোন প্রশ্ন করবেন না । সোজাসুজি প্রশ্ন করুন এবং তারপরে পরিবারের সদস্যরা কি বলছে তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন ।

 

✅যোগাযোগের পথ সুগম করুন – দুর্বল যোগাযোগই পারবেসের সমস্যার মূল কারণ । তাই পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের পথ সুগম এবং সফল করতে হবে । তবে সমস্যা সমাধানের পথ এবং ভবিষ্যতে নতুন করে সমস্যার সৃষ্টি না হওয়ার পথ দুটোই প্রশস্ত হবে । এক্ষেত্রে বেশি বেশি কথা বলে এবং প্রশ্ন করে যোগাযোগের পথ প্রশস্ত করা যেতে পারে । কম কম কথা বলা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের থেকে আপনাকে দূরে ঠেলে দিতে পারে । তাই বেশি বেশি কথা বলে যোগাযোগের পথ কে সচল রাখার চেষ্টা । এতে করে তার আপনার বক্তব্যকে বুঝতে সহায়তা হবে এমনকি আপনিও কি বলছেন তা অতি দ্রুত গতিতে তারা বুঝতে পারবেন । অনেক সময় এমন দেখা যায় যে পারিবারিক সমস্যার কঠিন কোন মুহূর্তে অনেকেই মদ্যপান করে এসে পরিবারে আরো নতুন সমস্যা সৃষ্টি করছে । এগুলো কখনোই করা যাবেনা । কথোপকথনের আগে কিংবা পরে কখনো এগুলো করা যাবে না ।

 

✅সঠিক সময় নির্ণয় করুন – আমাদের সাথে এরকমটা হলে বাসায় হয়ে থাকে যে আমরা আমাদের সমস্যা নিয়ে এতটাই বিচলিত হয়ে পড়েছে সমস্যা নিয়ে আলোচনা কখন করতে হবে তাই বুঝতে পারিনা । সঠিক সময়ে সঠিক আলোচনা না করলে সমস্যা একেবারেই হাতের বাহিরে চলে যাবে । তাই সমস্যা সমাধানের জন্য দেরি না করে যথাসম্ভব আলোচনা করে ফেলুন । তবে আলোচনা করার জন্য একটি সঠিক এবং সুন্দর মুহূর্ত বেছে নিন । এমন সময় কখনোই আলোচনায় বসবেন না যখন আপনার পরিবারে অলরেডি উন্নতি সমস্যা বিরাজমান । কিংবা যার সাথে আলোচনা করবেন সে অন্য কোন বিষয়ে আপসেট । তাই সমস্যা সমাধানের জন্য সময় বুঝে আলোচনা করুন তা না হলে সমস্যার সমাধান না হয় এ সমস্যাটি আরো বেড়ে যাবে ।


✅আপোষ করার চেষ্টা করুন – সমস্যার সমাধানের জন্য আপোষ করার বিকল্প কিছু হতে পারেনা । সমঝোতা অর্থ হলো আপনি এমন একটি সমাধান করছেন যা উভয় ব্যক্তির জন্যই গুরুত্ব এবং সহায়ক হয়ে থাকে । তবে এক্ষেত্রে সমস্যাটি সমাধান যোগ্য কিনা । এরকম সমস্যা এর আগে হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখুন । তাহলে পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে বুকিং সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন অতি সহজেই । তবে সমঝোতার জন্য দুই পক্ষের প্রতিটি খুব ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে । তা না হলে সঠিকভাবে সমঝোতা কোনোভাবেই সম্ভব নয় ।


✅একসাথে বসে কথা বলুন – পারিবারিক সমস্যা সমাধানের জন্য পরিবারের প্রতিটি সদস্যই থাকা অত্যন্ত জরুরী । তা না হলে সমস্যা সমাধানের পর এর ফলাফল বিস্তৃত হতে পারে । তাই সমস্যার সমাধানের জন্য প্রত্যেকের সাথে কথা বলে প্রত্যেকের মতামত নিয়েই সমাধান করুন । এমনও হতে পারে পরিবারের একটি সদস্য তার বিপক্ষে গেল কোন দুটি সদস্য আপনার পক্ষে কথা বলতে পারেন । তাই এটিকে হেলাফেলা না করে অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে আলোচনায় বসুন । তাহলেই দেখবেন আপনার সমস্যার সমাধানের নিশ্চয়তা বহুগুণে বেড়ে গেছে । আপনি কথা বলতে বলতে বিভ্রান্ত হয়ে যেতেও পারেন তখন পরিবারের অন্য সদস্য টি আপনাকে আপনার ভুল ধরিয়ে দিয়ে আপনাকে আপনার আলোচনায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারেন ।

 

✅পারিবারিক কর্তা নির্বাচন করা – আমরা প্রত্যেকে জানি প্রত্যেকটি পরিবারের একজন কর্তা ব্যক্তি থাকেন । তিনি পরিবারের সকল সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকেন । এমনকি তার কথায় পরিবারের শেষ কথা হয়ে থাকে অর্থাৎ তার কথাগুলোকেই সিদ্ধান্তে রূপ দেয়া হয় । সমস্যা সমাধানের জন্য সেই কর্তাব্যক্তির সাথে কথা বলেও সমস্যার সমাধান করতে পারেন । কর্তা ব্যক্তিদের সাথে যথাসম্ভব ভালো আচরণ এবং বিনয়ী আচরণ করুন । তা না হলে কর্তাব্যক্তি টি আপনার বিপরীতে অবস্থান নিতে পারে । আর যদি তাই হয় তাহলে আপনার সমাধান তো দূরের কথা আপনার নতুন সমস্যায় পড়তে পারেন । কর্তা ব্যক্তিদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখলে আপনার ভবিষ্যতেও সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে আপনি সহায়তা পাবেন । আর তাছাড়া কর্তাব্যক্তি আপনার দূরের কেউ নয় কিন্তু আপনার এই পরিবারের একজন সদস্য । আপনারই আপন কেউ । তাই ভয় না পেয়ে ভালোবাসা এবং ভালো আচরণের মাধ্যমে কর্তাব্যক্তি থেকে জয় করার চেষ্টা করুন । তাহলেই দেখবেন আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে

 

✅পরামর্শ নিন – আপনি যদি মনে করেন আপনার পক্ষে আপনার পারিবারিক সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব হচ্ছেনা তাহলে আপনি চাইলেই অন্য কারো সাহায্য নিতে পারেন । তবে এক্ষেত্রে ভালো কোন মানুষের পরামর্শ অবশ্যই কাম্য । খুব ভালো হবে লক্ষ্য রাখবেন যে আপনি যেন অন্য খারাপ কারো দ্বারা প্রভাবিত না হন । তবে পরামর্শ’র এই ব্যাপারটি সবার জন্য নয়, কম বয়সী এবং দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগা ব্যক্তির জন্যই এ বিষয়টি প্রযোজ্য । এমন অনেকেই আছেন সমস্যা দেখে ঘাবড়ে যান এবং সমস্যার সাগরে ডুবে যান । আর এই সকল ব্যক্তির জন্য পরামর্শ অবশ্যই দরকার । মনে রাখবেন বর্তমান যুগে ভালো পরামর্শদাতা খুঁজে পাওয়া সত্যি দুষ্কর । একজন পরামর্শদাতা ই পারেন নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাটি বিচার করে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়ে সমস্যাটির সমাধান করতে । তবে সে ক্ষেত্রে পরামর্শদাতা কে হতে হবে বিচক্ষণ ।

 

✅ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন – আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলা । কেননা আপনার প্রত্যেকটি বিপদেই আপনার পরিবারের সদস্য গুলো আপনার পাশে থাকবে অন্য কেউ নয় । তাই যথাসম্ভব পরিবারের সদস্য গুলোর সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন । সে ক্ষেত্রে আপনার পরিবারের সদস্য গুলোর সাথে বেশি বেশি ভালো সময় কাটান । তবে দেখবেন আপনার পরিবারের সদস্য গুলোকে আপনার অনেক আপন মনে হচ্ছে এবং তাদের সাথে আপনার কোন সমস্যায় থাকতে পারেনা এরকমটা আপনি মনে করছেন । খুব ভালো হয় পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথে ভালবাসা এবং বিনয় আচরণের মাধ্যমে তাদের মন জয় করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *