কিভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় ( How to control anger )

কথায় আছে ” রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন ” । আপনি কি রেগে গিয়ে হেরে যেতে চান নাকি রাগকে নিয়ন্ত্রণ করে জিতে যেতে চান । আপনার আমার সকলের উদ্দেশ্য একটাই জীবনে জেতাটা । হেরে যেতে কেউই চান না । আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই কমবেশি রাগ রয়েছে । রাগকে নিয়ন্ত্রণ করাটা খুব কঠিন হয়ে যায় যদি সেই ব্যক্তি অতিরিক্ত রেগে যান । আবার যাদের রাগ কম তাদের ক্ষেত্রে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার টা ততটা কষ্ট সাধ্য হয়না । রাগের বশে মানুষ অনেক কিছু করে বসে । এমনকি একজন মানুষ খুব বেশি রাগ করলে আর একজন মানুষের মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে । আবার এমন অনেকেই রয়েছেন যারা রাগের বশে সম্পর্ক ভেঙ্গে দিতেও দ্বিধাবোধ করেন না । তাই জীবনে ঠিকঠাক ভাবে চলতে গেলে আমাদের প্রত্যেকেরই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত । আমাদের আজকের এই ব্লগ পোস্ট থেকে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব আপনি আপনার ক্রমাগত রাগ থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসতে পারেন । চলুন তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক ।

 

রাগ নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়

✅জার্নাল ব্যবহার করুন – জার্নাল ব্যবহার করা প্রত্যেকটি মানুষের জন্যই জরুরি । যদিবা এই জার্নাল ব্যবহার আমাদের মধ্যে খুব একটা বেশি দেখা যায় না । আপনার হয়তো এখন মনে হতে পারে রাগের সাথে জার্নাল এর কি সম্পর্ক । আপনার জন্য বলছি আপনি যতবার রেগে যাবেন ঠিক ততবার আপনার জার্নালে তা লিপিবদ্ধ করুন । জানালে লিস্ট করুন আপনি ঠিক কতবার এবং কি কারণে রেগে গেছেন । আপনার রাগের কমন কারণগুলো জানবার চেষ্টা করুন । আপনি যদি খুব বেশি রাগান্বিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জার্নাল কিংবা ডায়েরিতে আপনার রাগের লিস্টে ভরে যাবে । আর সেই লিস্ট দেখে আপনার নিজের উপর নিজেরই খারাপ লাগতে পারে । আর সেই খারাপ লাগা থেকে হল আপনি আপনার রাগটা খানিকটা কমাতে পারেন ।

✅রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান – রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুম হলে আপনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক । অনিয়ন্ত্রিত রাগ খানিকটা অসুস্থতার পর্যায়ে পড়ে । আপনি যদি লক্ষ্য করে থাকেন তাহলে দেখবেন যে যাদের মধ্যে খুব বেশি রাগ দেখা যায় তারা রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান না । আর এই না ঘুমানোর কারণে তাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে । অল্পতেই নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন । কেউ কিছু বললেই হুট করে রেগে যান । তাই আপনারা কি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর প্রয়োজন । আপনি যখন রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবে তখন আপনার মানসিক প্রশান্তি বহুগুণে বেড়ে যাবে । আর আপনি নিজেও শারীরিকভাবে সুস্থতা বোধ করবেন । তাই আপনি যদি খুব বেশি রাগান্বিত কোন ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে রাতে অন্তত ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে । আপনি যখন আপনার এই অভ্যাসটি নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারবেন তখন দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে ।

✅ব্যায়াম করুন – শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রত্যেকটি মানুষের নিয়ম করে ব্যায়াম করা উচিত । যদিওবা বর্তমানকালে ব্যায়াম করার অভ্যাস টি মানুষের মধ্য থেকে একেবারেই হারিয়ে যাচ্ছে । মানুষ কাজকর্মে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে ব্যায়াম করবেন এরকম সময় যেন তারা খুঁজে পান না । যেমন ধরুন একজন চাকরিজীবী মানুষ ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়ো করে খেয়ে অফিসে চলে যান । আবার সারাদিন অফিসের খাটাখাটনির পর বাসায় এসে খেয়ে যেন ঘুমিয়ে পড়তে চান । এতে করে সেই চাকরিজীবী মানুষ টি ব্যায়াম করার সুযোগই পান না । ফলে সেই মানুষটি খানিকটা শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ধীরে ধীরে । এমনকি এই একঘেয়েমি লাইফে তারার থাকতে ইচ্ছা করছে না । এ কারণে তার মেজাজটা সারাদিন খিটখিটে হয়ে থাকে । কেউ কিছু বললেই সেই ব্যক্তিটি রেগে যেতে পারে এটাই স্বাভাবিক । তাই প্রত্যেকটি মানুষের উচিত ঘুম থেকে উঠে কমপক্ষে 30 মিনিট এর জন্য ব্যায়াম করা । আপনি যখন নিয়মিত ব্যায়াম করবেন তখন আপনার রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকবে এমনকি আপনার ব্রেইনে অক্সিজেনের মাত্রাও বেড়ে যাবে ফলে আপনার মস্তিষ্ক থাকবে সতেজ । আবার আপনি যখন নিয়মিত ব্যায়াম করবেন তখন আপনার এনার্জি লেভেল বহুগুণে বেড়ে যাবে । ফলে আপনি আপনার মেজাজ অল্পতেই হারিয়ে ফেলবেন না । এভাবে যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করতে থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে এর পরিবর্তন আপনি নিজেই লক্ষ করতে পারবেন ।

✅পরিকল্পনা করুন – আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু-না-কিছু লক্ষ থাকে । আর লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা প্রত্যেকেই নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকি । ঠিক তেমনি ভাবে আমরা যখন আমাকে রাখি নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তখন আমাদের নিশ্চয় কিছু পরিকল্পনা করতে হবে । তা না হলে আমরা আমাদের রাগ কখনোই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না । রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিকল্পনা শুরুতেই আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো নিজেকে শান্ত রাখতে হবে কী কারণে আপনি রেগে যান তা নির্ণয় করতে হবে এবং পরবর্তীতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আপনাকে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে তা নির্বাচন করতে হবে । এরপর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনি আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ।

✅বিরতি নিন – বিরতির সাথে রাগের কোন সম্পর্ক নেই তা ঠিক । কিন্তু রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিরতি নেওয়াটা খুব জরুরী । ধরুন আপনি অফিসে সারাদিন কাজ করে একদম ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন তখন আপনি কি করবেন ? আপনি নিশ্চয়ই খানিকটা সময় ধরে বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করবেন । আর সেই বিরতি নেওয়ার ফলে আপনি পুনরায় আপনার কাজে মনোযোগী হতে পারবেন । ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যখন রেগে যাবেন খানিকটা সময় বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করবেন । যে স্থানে আপনি রাগারাগি করছেন সে স্থানের রাগারাগি না করে দ্রুত সেই স্থান ত্যাগ করুন । আপনি যখন রাগের বিষয় এবং যার উপর রাগ করেছেন দুটোর থেকেই দূরে থাকবেন তখন আপনার রাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে । তাই রাগ না করে আপনার রাগের সময় বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করুন ।

✅গভীরভাবে শ্বাস নিন – একজন মানুষ যেমন খুব বেশি হতাশ হয়ে পড়লে গভীরভাবে শ্বাস নেয় । ঠিক তেমনিভাবে আপনি যদি রেগে যান আপনি গভীরভাবে শ্বাস নেই । আপনি যখন খুব বেশি রেগে যাবেন তখন 10 – 20 সেকেন্ডের জন্য গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন । আপনার যখনি মনে হয় আপনি রেগে গেছেন ঠিক সে সময় ভেতর থেকে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ছাড়ুন। দেখবেন তখন আপনার মনের ভিতর থেকেই অন্যরকম এক অনুভূতি সৃষ্টি হচ্ছে । আপনি যখন গভীরভাবে শ্বাস নেবেন তখন আপনার রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং আপনার মাথায় অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যাবে ফলে আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে । আর আপনার রাগের সময় অবশ্যই আপনাকে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, রাগের সময় কখনই ঘন ঘন নিঃশ্বাস নিবেন না । এতে করে আপনি আরো বেশি করে আপনার সহ্য ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন ।

 

✅তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করুন – বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রত্যেকটি মানুষ যখন রেগে যায় তখন তাদের রেগে যাওয়ার স্থায়ী কাল হয় আড়াই থেকে তিন সেকেন্ড । আপনি যদি সেই আড়াই থেকে তিন সেকেন্ড সময় ধরে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন তাহলে সে যাত্রায় আপনি আপনার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন বলে অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা । আপনি যখন কোন বিষয় নিয়ে খুব বেশি রেগে যাবেন তখন দেখবেন সে সময় 2-3 সেকেন্ডের সময় টা আপনার একদম অসহ্য মনে হবে । আর সেই সময়ে ই আপনার রাগ চরমসীমায় উত্তীর্ণ হয় । তাই ওই দুই থেকে তিন সেকেন্ডের সময়টা আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ জরুরী । তাই সেই সময়টায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন । আর এই সময়টায় নিজের রাখে নিয়ন্ত্রণের জন্য নিজের পছন্দমত উপায় নির্বাচন করুন । যেমন ধরুন আপনি যখন রাগ করবেন তখন যদি আপনি দাঁড়িয়ে থাকেন বসে যাবেন আর যদি বসে থাকেন তাহলে দাঁড়িয়ে যান ।

✅গান শুনুন – ব্যস্ত এই জীবনে যেন গান শোনার সময় খুঁজে পাচ্ছেন না । আর তাই হয়তো জীবনের রং গুলো ধীরে ধীরে ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে । তাই জীবনের রং গুলো ফেরানোর জন্য নিজের অনুভূতিগুলো জাগ্রত করার জন্য অবশ্যই গান শুনবো । সারাদিন সময় না পেলে ঘুমানোর আগে হলো দুই একটা গান শোনার চেষ্টা করুন । আর যখন গান শুনবেন আপনার পছন্দের গানগুলো শোনার চেষ্টা করো । যথারীতি বিরহেরগান আপনার ভালো লাগতে পারে কিন্তু বিরহের গান পরিত্যাগ করায় ভালো । ঠান্ডা মিউজিক আপনার মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে ।

✅সমস্যা চিহ্নিত কর – আমাদের জীবনের প্রত্যেকেরই নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে । সমস্যা ছাড়া কোন মানুষ হতে পারে । আমাদের প্রত্যেকের সমস্যায় প্রত্যেকের কাছে অনেক বড় মনে হতে পারে আর এটাই স্বাভাবিক । আমরা প্রত্যেকেই যেন সমস্যায় ডুবে আছি । সমস্যার এই গ্যারাকল থেকে যেন কোনোভাবেই বের হতে পারছি না । তাই হয়তো আপনার মন মেজাজ কোনটাই ঠিক আগের মত করতে পারছেন না । তাই আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য যে বিষয়টি সবচেয়ে জরুরী আপনি ঠিক কী কারণে রাগ করছেন রাগ এর মূল বিষয়টি কি তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন । রাগের কারণ চিহ্নিত করার পর তার সমাধানকল্পে কাজ করুন । দেখবেন যখন আপনি আপনার সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান করে ফেলেছেন তখন আপনার রাগ আপনাআপনি থেমে যাবে ।

✅সরাসরি কথা বলুন – আমাদের ভুল বোঝাবুঝির অন্যতম কারণ হল আমরা সরাসরি কথা না বলে তা মনের ভেতর পুষে রেখে দেই । আর সেই না বলা কথাগুলো যেন রাগে রূপান্তর হয় । আর তাই আপনি ঠিক কি কারণে রাগ করেছেন তা সরাসরি অপর মানুষটিকে বলে ফেলুন । সরাসরি দুজন কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন । আর তা না করে যদি আপনারা দুজন দুজনের উপর রাগ করে থাকেন তাহলে রাগ এর পরিমাণ এবং পরিধি দুটোই বৃদ্ধি পাবে । তাই রাগ না করে আপনি ঠিক কি চাচ্ছেন তা সরাসরি বলে ফেলুন ।

✅মেডিটেশন করুন – মেডিটেশন বিষয়টি আমাদের দেশে খুব একটা বেশি জনপ্রিয় হয় । কিন্তু বহির্বিশ্বে মেডিটেশন অত্যন্ত জনপ্রিয় । মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনি আপনার মন কে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে । আর মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনি যখন আপনার মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবেন তখন রাগকে নিয়ন্ত্রণ করাটাও আপনার পক্ষে সহজ হয়ে যাবে । মেডিটেশন মানে মনের যোগ । মেডিটেশন আর যোগব্যায়াম দুটোই একই রকম । তাই প্রতিদিন এই যোগব্যায়াম তথা সুস্থ মস্তিষ্কে খানিকটা সময় ধ্যান করার চেষ্টা করবেন । সে সময় কোন প্রকার চিন্তা মাথায় । শুধু ইতিবাচক চিন্তা করে নিজের মনকে রিফ্রেশ করার চেষ্টা করবেন । দেখবেন আপনার মনের মধ্যে ভালো অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছে । আর আপনি প্রতিদিন যদি নিয়ম করে মেডিটেশন করতে পারেন তাহলে ধীরে ধীরে আপনার রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ।

✅ক্ষমা করার অভ্যাস করুন – ক্ষমা নিশ্চয়ই মহৎ একটি গুণ । এই গুণ সকলেই নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারেন না । যদিও বা প্রত্যেকের মধ্যেই এই গুন থাকাটা অত্যন্ত জরুরী । আপনি যখন খুব বেশি কারোর উপর রাগ করবেন সেই ব্যক্তিটি কে ক্ষমা করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন । আপনি যখন কাউকে ক্ষমা করে দিবেন দেখবেন তার ওপর থেকে আপনার রাগ কমে যাবে । ক্ষমা করার পাশাপাশি আপনাকে নিজের ভুল স্বীকার এ অভ্যস্ত হতে হবে । আপনি যে কারনে রাগ করেছেন তার মধ্যে নূন্যতম আপনার কোন ভুল থাকলে তা স্বীকার করুন । এতে করে যার উপর রাগ করেছেন সে ব্যক্তিটি ও আপনার উপর সন্তুষ্ট থাকবেন । ফলে দুজনের মধ্যে থেকেই রাগের বিষয়টি একেবারেই হারিয়ে যাবে ।

পরিশেষে একটা কথাই বলবো যে রাগ না করে হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করবেন । এতে করে আপনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকবেন । আশা করি আপনার জীবন সুখের এবং সুন্দর হোক । আমাদের আজকের এই ব্লগ পোস্টে যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ধন্যবাদ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *