কিভাবে শিক্ষনীয় ভিডিও বানানো যায় ( How to make educational videos )

বর্তমান প্রযুক্তিগত দিক থেকে নানা ধরনের ভিডিও সোর্স কিংবা ভিডিও প্ল্যাটফর্ম রয়েছে । যেখান থেকে আপনি নানা ধরনের ভিডিও পেয়ে যাবেন খুব সহজেই । ভিডিও নানা ধরনের হতে পারে যেমন ধরুন বিনোদনমূলক শিক্ষণীয় আবার সাইন্টিফিক এমনকি গেমিং ভিডিও হতে পারে । বর্তমান যুগে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইউটিউব খুব বেশি জনপ্রিয় । ইউটিউব জানেনা কিন্তু ইউটিউব ব্যবহার করেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল হয়ে যাবে । আপনি যখন অনেক ধরনের ভিডিও দেখেন তখন আপনার মনে আসতে পারে আপনারা যদি ভিডিও থাকতো তাহলে মন্দ হত না । অর্থাৎ অন্যের ভিডিও দেখতে দেখতে আপনি চাইলেই পারেন একটি ভিডিও বানাতে । আপনার ইচ্ছে হতে পারে আপনার বাড়ানো ভিডিওগুলো মানুষকে দেখাতে । তাই বলে যেন কোন ভিডিও বানালে মানুষ দেখবে এরকম চিন্তা করাটা সবচেয়ে বড় বোকামি । আপনি যদি ভিডিও বানাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার কনটেন্ট কোয়ালিটি ঠিকঠাক রাখতে হবে । আমরা আমাদের আজকের ব্লগপোস্ট থেকে আপনাকে জানানোর চেষ্টা করব আপনি কিভাবে শিক্ষনীয় ভিডিও বানাতে পারেন চলুন তাহলে দেরি না করে শুরু করা ।

 

 

ভিডিও বানানোর সহজ উপায়

 

 

✅ভিডিও ক্যাটাগরি নির্বাচন করা – আপনি যখন ভিডিও বানাতে চাইবেন তখন অবশ্যই আপনাকে ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে । আপনি একজনের ভিডিও দেখলেন সে ভিডিও ভালো লাগলো সেরকম ভিডিও বানানোর চেষ্টা করলেই আপনার ভিডিও চলবে এরকম ধারনা করা একেবারেই ভুল । আপনাকে শুরুতেই ভাবতে হবে আপনি কি ধরনের ভিডিও দিতে পারবেন । আর কোন বিষয় বা আপনার দক্ষতা রয়েছে । দক্ষতা ছাড়া আপনি ভিডিও বানাতে পারবেন না । আপনি যদি মন্দির ভিডিও দেখে অনুরূপ ভিডিও বানানোর চেষ্টা করো তাহলে কপিরাইট আইনের আওতায় পড়ে যাবেন । তাই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি ঠিক কোন বিষয়ে পারদর্শী ? আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সে বিষয়েই ভিডিও বানানোর চেষ্টা করুন । আর অবশ্যই তা কোয়ালিটি সম্পন্ন হতে হবে । না হলে সে ভিডিও বানিয়ে কোন লাভ নেই । তাহলে আমরা বলতেই পারি ভিডিও বানানোর জন্য প্রথম ধাপই হলো সুনির্দৃষ্ট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করা ।

 

✅রিসার্চ করা – আপনি যখন ভিডিও বানাবেন তার দু’একদিন আগে থেকেই রিচার্জ করা শুরু করে দিবেন । রিসার্চ না করেই ভিডিও বানাতে বসবেন না । আপনি যে বিষয়ের উপর ভিডিও বানাতে চাচ্ছেন অবশ্যই তা অনলাইনে খোঁজ করে দেখবেন । যে বিষয়ের উপর ভিডিও বানাতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে কোনরূপ ভুল তথ্য দেয়া চলবে না । আর ভুল তথ্য এড়িয়ে চলার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো অবিশ্বাস করা । আপনি যত বেশি রিচার্জ করবেন আপনার জ্ঞানের ভান্ডার তথ্য সমৃদ্ধ হবে । আর এর ফলে আপনার ভুলের পরিমাণ একেবারেই কমে যাবে । আপনি যখন ভিডিও তৈরি করবেন তখন দেখবেন যে ভিডিওটি এর আগেই অন্য কোথাও পাবলিস্ট হয়েছে কিনা । আর যদি অন্য কেউ অনেক আগেই সেরকম ভিডিও বানিয়ে থাকে তার ভিডিও পুরোপুরি দেখুন । তাই ভিডিও থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করুন । কিন্তু কোনক্রমেই কপি করার চেষ্টা করবেন না । যে বিসর্গ ভিডিও বানাতে চাচ্ছেন সে ভিডিও মানুষের জন্য কতটা ইউজফুল হবে অর্থাৎ মানুষ কতটা পছন্দ করবে তা যাচাই করার চেষ্টা করুন । আপনি যখন মনে করবেন আপনি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রুপে আপনার রিচার্জ শেষ করেছেন তবে ভিডিও বানানো শুরু করবে অন্যথায় কখনোই ভিডিও বানাতে তাড়াহুড়া করবেন না ।

 

✅ভিডিও ইকুইপমেন্টের ব্যবস্থা করুন – আপনি যদি ভিডিও বানাতে চান অবশ্যই আপনার যথাযথ ভিডিওইকুইপমেন্টে থাকা প্রয়োজন । কিন্তু তাই বলে আপনাকে প্রফেশনাল ইকুইপমেন্ট রাখতে হবে এরকম কোন কথা নেই । প্রাথমিক পর্যায়ে যেরকম ইকুইপমেন্ট প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করুন । না হলে শুধু চাওয়া দিয়ে আপনি কখনোই ভিডিও তৈরি করতে পারবেন না । ভিডিওটি খুব মেন্টের অন্যতম উপাদান হলো ক্যামেরা মাইক্রোফোন ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোন । আর আপনার যদি এগুলো একটাও না থাকে তাহলে আমি বলব ভিডিও বানানো আপনার জন্য প্রযোজ্য নয় । আপনাকে অবশ্যই এই ইকুইপমেন্ট গুলোর ব্যবস্থা করতে হবে । আর তা না হলে আপনি কখনোই ভিডিও তৈরিতে সফল হবেন না । আর আপনার যদি এই সকল ইকুইপমেন্ট থাকে তাহলে বলব আপনি ভিডিও বানাতে পারবেন । তবে এর জন্য অবশ্যই আপনাকে এই সকল যন্ত্রপাতি চালানোর দক্ষতা রাখতে হবে । আর যদি আপনার এই সকল ইকুপমেন্ট থাকে কিন্তু আপনি ব্যবহার করতে না পারেন অর্থাৎ ব্যবহার না জানেন তাহলে কিভাবেই বা ভিডিও বানানো সম্ভব বলুন ? তাই ভিডিও ইকুইপমেন্টের সাথে সাথে যথোপযুক্ত ব্যবহার জানাটা অত্যন্ত জরুরি ।

 

✅স্থান নির্বাচন করুন – ভিডিও বাড়ানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট একটি স্থানের প্রয়োজন হবে । আপনি চাইলেই যেখানে সেখানে বসে ভিডিও বানাতে পারবেন না । ভিডিও বানানোর জন্য চাই একটি সঠিক লোকেশন । তাই বলে আপনাকে অনেক উচ্চতর লোকেশনে ভিডিও বানাতে হবে এরকম কোন কথা নেই । এমন অনেক ভিডিও আছে যা আপনি বাসায় তৈরি করতে পারেন । কিন্তু আমাদের প্রত্যেকের বাসায় সব সময় এরকম পরিবেশ থাকে না যে অনায়াসেই একটি ভিডিও বানিয়ে ফেলা যায় । একটি ভিডিও বানানোর জন্য একটি মনোরম পরিবেশ খুবই জরুরী । কেননা কাজের পরিবেশ তৈরি না হলে আপনি কখনোই কাজ করে শান্তি পাবেন না । তাই ভিডিও তৈরি করার পূর্বেই আপনার স্থান নির্বাচন করতে হবে । এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে যে আপনার ভিডিওর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ।

 

✅স্ক্রিপ্ট তৈরি করা – যেকোন ভিডিও তৈরীর জন্য স্ক্রিপ্ট অত্যন্ত জরুরি । আপনার হয়তো মনে হতে পারে শুধুমাত্র বড় বড় নাটক সিনেমাতেই শুধু স্ক্রিপটিং থাকে । অন্য কোন ছোট ভিডিওতে স্ক্রিপটিং বিষয়টি হয়তো নেই আপনার এরকমটি ধারণা । কিন্তু আপনার এ ধারণা একেবারেই ভুল । স্ক্রিপ্ট মূলত এমন একটি বিষয় যা না হলে আপনি কখনোই ভিডিও বানাতে পারবেন না । স্ক্রিপ্ট কে আপনি পরিকল্পনার সাথে তুলনা করতে পারেন । স্ক্রিপ্টে মূলত কোন টার পর কোনটা হবে কোনটি আগে আর কোনটি পরে এরকম বিষয় লিপিবদ্ধ থাকে । সঠিক স্ক্রিপ্ট বা পরিকল্পনা ছাড়া আপনি কখনোই ভালো ভিডিও তৈরি করতে পারবেন না । তাই বলে আপনি অন্য কোনো ভালো ভিডিও দেখে তার স্ক্রিপ্ট হুবহু নকল করলে চলবে না । আপনি যদি এরকম করেন তাহলে আপনি কখনোই শিখতে পারবেন না । শুরুতে আপনার স্ক্রিপটিং এ নানা ধরনের ভুল হবে । তাই বলে হতাশ হওয়া যাবে না । আপনার স্ক্রিপ্টের ভুল থেকেই আপনি ধীরে ধীরে শিখতে পারবেন । তাই বলে ভুলে ভরা স্ক্রিপ্ট কখনোই ভালো ভিডিওর জন্য কাম্য নয় ।

 

✅ভিডিও এডিটিং – ভিডিও এডিটিং ভিডিও পাঠানোর অন্যতম প্রধান একটি হাতিয়ার । ভিডিও বানানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে জানতে হবে । আপনি খুব ভিডিও বানালে ভালো ভিডিও এডিটিংয়ের হবে আপনার ভিডিওটি পুরোপুরি ভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে । তাই ভিডিও এডিটিং করার সময় সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা করুন । তানাহলে ছোট্ট একটি ভুল আপনার পুরো ভিডিও কে নষ্ট করে দিতে সক্ষম । ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে পারেন আপনি আপনার কনটেন্ট কে সুন্দর ভাবে অন্যের কাছে উপস্থাপন করতে । ভিডিও এডিটিং এর সময় অবশ্যই আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে । আপনি যদি ভিডিও এডিটিংয়ের দক্ষ না হন ,তাহলে অন্য কোন ভিডিও এডিটর নির্বাচন করুন । যে আপনার ভিডিও ভালোভাবে এডিট করতে পারবেন ।

 

✅ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ভিজিট করুন – আপনাকে ভিডিও বানানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হতে পারে । যেমন ধরুন ইউটিউব । ইউটিউব বর্তমান যুগে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে ইউটিউবে আপনি চাইলেই সব ধরনের ভিডিও খুব সহজে পেয়ে যাবেন । আপনি যে ভিডিও বানাচ্ছেন সে বিষয়ের উপর পূর্বেই অন্য কোন কনটের ক্রিয়েটর ভিডিও বানিয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন । বিভিন্ন পপুলার কন্টেন ক্রিকেটারদের ফলো করার চেষ্টা করুন । তারা কিভাবে কন্টেন্ট তৈরি করছেন তা রিসার্চ করুন । তাদের ভিডিও দেখে নিজের ভিডিওর ভুলগুলো শুধরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন । যা কিছু কমতি আছে তা পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করুন । আপনাকে পুরোপুরি ভাবে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যে ভিডিও বানাচ্ছেন তা যেন অন্য কারোর ভিডিওর সাথে ম্যাচ না করে । আর যদি তাই হয় তাহলে ভিডিওটি রিমেক করার চেষ্টা করুন ।

 

✅সাউন্ড কোয়ালিটি – আপনার ভিডিওতে সুন্দর ভিডিও থাকলেই চলবে না । সাউন্ড কোয়ালিটি অত্যন্ত জরুরি । ধরুন আপনি একটি ভিডিও দেখছেন অথচ সেই ভিডিওর সাউন্ড একটু পরপর অন্যরকম শোনাচ্ছে । তাহলে আপনার কেমন লাগবে ? আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনার অসহ্য লাগবে এমনকি আপনি সেই ভিডিওটি আর নাও দেখতে পারেন । আপনি যখন ভিডিও বানাবেন অবশ্যই আপনার ভিডিও কোয়ালিটি আপনার সাউন্ড কোয়ালিটির উপর অনেকাংশে নির্ভর করে এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে । ভিডিও সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাউন্ড কোয়ালিটি নিশ্চিত করুন । না হলে আপনার ভিডিও বানানটাই বৃথা হয়ে যাবে । সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ভালো ভিডিও এডিটিং এবং ভালো একটি মাইকের প্রয়োজন হবে । তাই ভিডিও বানানোর জন্য অবশ্যই ভালো সাউন্ড রেকর্ডিং করতে পারে এরকম মাইক নির্বাচন করুন ।

 

✅রিভিউ করুন – ভিডিও বানানোর সর্বশেষ তাহলে ভিডিওটি রিভিউ করা । আপনি যে ভিডিওটি বানালেন তা অবশ্যই বারবার করে রিভিউ করুন । আপনার ভিডিওতে কোন ভুল আছে কিনা তা খোঁজবার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে আপনার ভিডিওটি অন্য কারো দ্বারা সার্টিফাইড করে নিতে পারে । অন্য যে কেউ দেখলে আপনার থেকে খুব সহজেই আপনার ভিডিওর ভুলগুলো ধরতে পারবেন । আর সে ব্যক্তি যখন আপনার ভিডিওটি রিভিউ করে দেখবেন তখন আপনাকে আপনার ভিডিও সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের মতামত জানাবেন । যা আপনার ভিডিওটি কে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে ।

 

✅ভিডিও পাবলিস্ট করুন – ভিডিও বানিয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না । তা অবশ্যই সকলের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে । আর এর জন্য আপনাকে অবশ্যই ভিডিওটি কোন ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্মে পাবলিস্ট করতে হবে । ভিডিও পাবলিশ করার সময় অবশ্যই আপনাকে আপনার ভিডিওর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন প্রধান করতে হবে । আর ভিডিওর এসইও রেংকিং বজায় রাখার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কীওয়ার্ড ইউজ করতে হবে । তা না হলে আপনার ভিডিওটি ভিউ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে । আপনার ভিউয়ার্স দের আকর্ষণের জন্য অবশ্যই ভালো মানের ফিচার্ড ইমেজ নির্বাচন করুন । ভিডিও পাবলিশিং এর সময় অবশ্যই যে ওয়েবসাইটে আপনার ভিডিও পাবলিস্ট করছেন তার প্রাইভেসি পলিসি আপনার ভিডিওতে ঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন ।

 

✅ভিডিও এনালাইটিক্স চেক করুন – আপনি ভিডিও বানিয়ে পাবলিস্ট করে থেমে থাকবেন না । ভিডিওতে পাবলিক রিঅ্যাকশন কিরকম হয়েছে তা জানবার চেষ্টা করুন । আপনার ভিডিও যারা দেখেছেন তাদের মন্তব্যগুলো যাচাই বাছাই করুন । আর তারা যদি আপনাকে কোনরূপ সাজেশন দিয়ে থাকে তা মানবার চেষ্টা করুন । অবশ্যই আপনার ভিডিওর কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করুন । আপনার ভিডিও কোন বয়সের মানুষ দেখছেন আর কোথা থেকে দেখছেন তা যাচাই বাছাই করুন ।

 

ভিডিও বানানো আপনার শুরুতে একটু অন্যরকম মনে হতে পারে । কিংবা আপনি যখন শুরুতে ভিডিও বানাবেন সেগুলো খুব বেশি ভিউ নাও হতে পারে । তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না । আপনি আপনার কনটেন্ট কোয়ালিটি বাড়ানোর চেষ্টা করুন । দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার কনটেন্ট ভিউয়ার্স এর কাছে ভালো লাগবে। আশাকরি আপনার ভিডিও বাড়ানোর যাত্রা শুভ। আমাদের আজকের হেভলক পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ।

3 thoughts on “কিভাবে শিক্ষনীয় ভিডিও বানানো যায় ( How to make educational videos )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *