how to speak english fluently in bengali ( কিভাবে সাবলীলভাবে ইংরেজিতে কথা বলা যায় )

ভাবুন তো সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমরা ইংরেজি ভাষা শেখার চেষ্টা করছি ইংরেজি শেখা শুরু হয়েছিল tense, voice, narration, article ইত্যাদির মাধ্যমে কিন্তু মজার ব্যাপার এই যে আযমরা ঠিকঠাক ইংরেজি বলতে পারি না । আসলেই আমাদের সমস্যাটা হলো আমরা হয়তো চেষ্টা করে ইংরেজিতে পড়তে বাড়ি দু-এক লাইন লিখতেও পারি কিন্তু যখনই আমরা ইংরেজি বলতে চাই তখনই যেন আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল । এজন্যই অনেকেই বলে থাকেন যখন আমি নিজে বলতে চাই তখনই আমার ভয় লাগে আমি নার্ভাস হয়ে যাই আমি সাহস করে বলতে পারি না । কি পাঠক বন্ধুরা ঠিক বলছি তো । 

এক্ষেত্রে আমি জোর দিয়ে বলতে পারি যে আমরা কিভাবে ইংরেজি বলার চেষ্টা করছি তা আমাদের জন্য সঠিক নয় অর্থাৎ আমরা ভুল পদ্ধতিতে ইংরেজি বলার চেষ্টা করছি । আর তাই আজ আমরা ইংরেজিতে কথা বলার বিষয়টিতে সফল হতে পারেনি তাই আজনালা ইংরেজিতে অনেক পিছিয়ে । কিন্তু তাই বলে হতাশ হবার কিছুই নেই । আমাদের আজকের এই ব্লগ টি থেকে আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে অতি সহজেই আপনি সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারবেন ? 

 

কিভাবে সহজে কিভাবে ইংরেজিতে কথা বলা যায়

 

একবার ভালো করে ভেবে দেখুন তো কেন আমরা ইংরেজিতে ঠিকভাবে কথা বলতে পারিনা ? ভেবে দেখুন তো এর পেছনে আমাদের কি কি দুর্বলতা থাকতে পারে?

 

# ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম কানুন মনে রাখতে গিয়ে আমাদের নাজেহাল অবস্থা  । 

# আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষেরই ইংরেজি স্বয়ংসম্পূর্ণ  । 

# ভুল ইংরেজী বলে ফেলি তাই আমরা ভুল করেও চেষ্টা করিনা  । 

# হিন্দিতে বলতে গেলেই অন্যরকমের লজ্জা বোধ কাজ করে  । 

#ইংরেজি বলার সময় নার্ভাস হয়ে যাই । 

# যখনই আমরা ইংরেজি বলতে শুরু করি তখনই আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের বিষয়টি একেবারেই হারিয়ে যায়   । 

# সবচেয়ে বড় কথা হল আমরা ইংরেজি শিখতে ভয় পাই মজা পাইনা   । 

 

আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারব যে উপরের এই সকল বিষয়গুলো আমরা যারা ইংরেজিতে বলতে চাই তাদের প্রত্যেকের মাঝেই বিদ্যমান   । তবে ইংরেজিতে কথা বলার জন্য এগুলোই একমাত্র কারণ না যে আপনি ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন   । 

 আমার কথা বিশ্বাস করতে হয় তো আপনার একটু কষ্ট হতে পারে  । কিন্তু আমার এই কথাটি একেবারেই সত্য  । আপনি কি কারণে নয় বরং অন্য কারো নেই ইংরেজিতে কথা বলতে পারছেন না  । 

আমরা যখন সাধারণত বাংলায় কথা বলি তখন আমরা বাংলায় চিন্তা করি  । কিন্তু অপরদিকে হবে যখন আমরা ইংরেজিতে কথা বলি তখন আমরা ইংরেজিতে চিন্তা না করে আগে বাংলায় চিন্তা করি তারপর সেটি খাবার ট্রান্সলেট করে ইংরেজিতে বলার চেষ্টা করি  । এ কারণেই আমাদের এত সমস্যার উৎপত্তি  । আর এ বিষয়টি আমাদের প্রধান বাধা ইংরেজিতে কথা বলার জন্য  । আমরা যদি কোনোভাবেই এ সমস্যার সমাধান করতে পারি তাহলে আমরা যে ইংরেজিতে কথা বলা হয় 50% কাজ হয়ে যাবে । কনফিডেন্স আপনা আপনিই চলে আসবে  । আর তখন আমরা ইংরেজিতেই ভাবতে পারবো আর যা ভাববো তাই ইংরেজীতেই বলতে পারব  । মধ্যবর্তী যে অনুবাদের বিষয়টি একেবারেই হারিয়ে যাবে  । 

এরপরও আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন আমরা ইংরেজি সরাসরি বলতে পারিনা  । আর কেনইবা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে বলতে হয়  । যদিও বা অনেক শব্দেরই আমাদের ইংরেজী জানা সাথে তারপরও আমরা ইংরেজি সাবলীল ভাবে বলতে পারিনা  । যেমন ধরুন বার্ড হোম ইত্যাদি  । কিন্তু এই সহজ শব্দগুলোও যদি আমাদের ইংরেজি কথা বলার সময় আমাদের সামনে আসে তারপরও আমরা আগে এটি বাংলা চিন্তা করি তারপর সেটাকে অনুবাদ করে হয়তোবা বলে থাকি পাখি বাড়ি  ইত্যাদি । এর প্রধান কারণ হলো আমরা ছোটবেলা থেকেই কথা বলার সময় বাংলায় চিন্তা করি আর তা পরবর্তীতে বাংলা শব্দের মাধ্যমে একটি বাক্যে পরিণত হয় ।  আর সেই অভ্যাসের কারণে এখনও আমরা প্রতিনিয়ত কথা বলার সময় আগে বাংলায় চিন্তা করি । এমনই  হয়ে গেছে যে এই বিষয়টি একটি অটোমেটিক মুডে চলে গেছে । আর এ বিষয়টি হলো  অভ্যাস । 

একবার যদি আমরা খুঁজে বের করতে পারি যে আমরা কিভাবে ছোটবেলায় বাংলা কথা বলতে শিখেছি তাহলেই আমরা একই ট্রিকের মাধ্যমে ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারব ।  মনে রাখবেন ইংরেজি ভাষা শেখার দীর্ঘমেয়াদি একটি পদ্ধতি রয়েছে ।  আপনি চাইলেই যে দু-একদিনের মধ্যে গরগর করে ইংরেজি বলতে পারবেন এটা ভাবার কোন অবকাশ নেই ।  আমরা অনেকেই ইংরেজি শেখার জন্য কোন একটি কোচিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হই ।  আর সেখানে নানা ধরনের ইংরেজিতে ধরাবাঁধা কিছু নিয়ম আমাদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় । আর সেগুলোই শিখতে শিখতে আমাদের মাথায় একেবারেই খারাপ হয়ে যায় ।  বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার চিন্তা তো মাথায় আছে অন্যদিকে আবার এসব নিয়ম কানুন ।  সত্যি বলতে কি এই ভাবে ইংরেজিতে কথা বলা একেবারেই অসম্ভব ।  আর এমনটা মনে হয় আপনার জন্য একেবারেই স্বাভাবিক । আরে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে ধাবিত হয় আর আপনার মনের মধ্যে ইংরেজির জন্য আরও কঠিন রকম ভয় সৃষ্টি হয় । আপনি শিখতে চাইলেও শিখতে পারছেন না বলতে চাইলে বলতে পারছেন না ।  আসলেই  স্বতস্ফূর্ত ব্যাপারটা একেবারেই অন্যরকম ।   এটা অটোমেটিক হওয়া চাই । না হলে কখনোই আপনি স্বাভাবিকভাবে ইংরেজি বলতে পারবেন না ।  আর যখনই আপনি  স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপারটা নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারবেন তখনই ইংরেজিতে কথা বলার বিষয়টি নদীর পানির মতো নিজের আপন গতিতে বয়ে যাবে । কিন্তু আপনি এখন ভাবছেন এ বিষয়টি হচ্ছে কি হচ্ছে না আপনারা কিভাবে আয়ত্ত করবেন । 

তাহলে এবার আপনি ভাবুন তো কিভাবে আপনি শৈশবে বাংলায় কথা বলা শুরু করেছিলেন ।  আপনাকে যদি বলা হয় আপনি যখন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন তখন কি আপনি শুরুতে বাংলা পড়তে শিখেছিলেন নাকি আগে থেকেই আপনি বাংলায় বলতে পারতেন ।    এর উত্তর আমাদের ক্ষেত্রেই একই রকম আমরা জানি ।  কেননা আমরা আগে বাংলা বলতে শিখেছি তার পরে স্কুলে গিয়ে রিডিং পড়তে শিখেছে ।  আপনি কি স্কুলে পড়ার আগেই আগে থেকেই আপনি বাংলায় দু একটা বাজে কথা বলতে পারা বাংলায় রাগ করা বাংলায় আপনার খুশির অনুভূতি প্রকাশ করা এরকম নানা বিষয়ে আপনি অনর্গলভাবে বলতে পারতেন ।  কি বন্ধুরা আমি ঠিক বলছি তো ।  আর যদি ঠিক বলে থাকি তাহলে এ বিষয়টি পরিষ্কার যে আমরা কোন বই দেখে  বাংলায় কথা বলা শিখেন ।  

এরপর আসা যাক লেখালেখির বিষয়টি ।   আমি একইভাবে জানতে চাইবো যে আপনি কে আগে বাংলায় লিখতে  পারার পর বাংলায় বলতে শিখেছেন ।  উত্তর অবশ্যই সকলের ক্ষেত্রে না তাই না । আর তাই ইংরেজিতে কথা বলার জন্য ইংরেজিতে লেখালেখির বিষয়টি অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি ভাবছেন ।  আর যদি তাই হবে তাহলে ছোট ছোট বাচ্চারা কিংবা আপনি  আমি কি করে হিন্দি  ভাষার কিছু না জেনেও হিন্দিতে কথা বলতে পারি ।  কি অবাক লাগছে আপনার বিষয়টি ।  

তাহলে প্রশ্ন হলো কিভাবে একটি শিশু ছোটবেলা থেকেই  তার মাতৃভাষা শিখছে । এর অন্যতম কারণ হলো ছোটবেলায় প্রত্যেকটি শিশুর খুব ভালো অনুকরণ করতে পারে ।   আর এই বিষয়টি বড় হয়ে আমরা অনেকাংশেই হারিয়ে ফেলি । ছোটবেলার প্রত্যেকটি শিশু তার বাবা-মা কিংবা  বড়দের খুব ভালোভাবে অনুকরণ করে তাদের  চলার চলার আচার ইত্যাদি ।  তারা অনুকরণ করেন যে তাদের বড়রা কিভাবে কথা বলছে কিভাবে মনের ভাব প্রকাশ করছে আর তারাও ঠিক একইভাবে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করার চেষ্টা করে ।  প্রথমেই বাচ্চাগুলো তার বাবা-মা কি শব্দ উচ্চারণ করছে তার অর্থ কি তা বুঝতে পারেনা ।   কিন্তু তাদের রিয়াকশন দেখে সেই শব্দগুলোর অর্থ আন্দাজ করার চেষ্টা করে ।  আর এই শব্দগুলোর অর্থ তারা দিয়ে থাকে ।  তারপর সেই বাচ্চাটিও সেই শব্দগুলো শুনে শুনে তা বলার চেষ্টা করে এবং ভুল করে । আবার সেই একই শব্দ দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করে বারবার চেষ্টা করে ।  একসময় শিশুটি ভাঙ্গা ভাঙ্গা শব্দে কথা বলার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়  এবং সে মাতৃভাষায় কথা । 

 

#শিশুরা বড়দের কথাবার্তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে । 

# অন্য মানুষেরা কিভাবে কথা বলছে তাও তারা মনোযোগ দিয়ে শোনে । 

# শিশুরা বড়দের থেকে কথা বলার বিষয়টি কপি করার চেষ্টা করে বড়রা কিভাবে কথা বলছে সেভাবে কথা বলার চেষ্টা করে । 

# তারা ভুল করে এবং চেষ্টা করে তাদের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে বারংবার কথোপকথন চালিয়ে যায় । 

# তারা তাদের মাতৃভাষায়  চিন্তা এবং তার প্রকাশ  করে । 

 

তাই প্রথমে ইংরেজিতে কথা বলার জন্য আপনাকে অন্য মানুষকে অনুসরণ করতে হবে এবং মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে ।  আপনি অন্য মানুষের কথা বুঝো না বুঝো না বুঝে তাদের  কথা বলার বিষয়টি অনুসরণ করবে এবং মনোযোগ দিয়ে শুনুন ।  

তারপর  নিজে নিজে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করতে হয় ।  হোক সেটা ভুল  কিংবা  সঠিক কথা বলার অভ্যাস টি চালিয়ে যেতে হবে । 

কখনোই ভয় পাবেন  না আপনি ভুল ইংরেজি বলছেন বলে ।  বড় ভুল করে এবং সেগুলো খুজে নিয়ে আবারও চেষ্টা করুণ । 

নিজের মনের আশা গুলো মনে মনে ইংরেজিতে চিন্তা করার প্র্যাকটিস করে । কোনভাবেই বাংলায় কিছু চিন্তা করুন যা কিছু চিন্তা করবেন না , যা কিছুই চিন্তা করেন না কেন চিন্তা করুন । আগে তো অনেক বাংলায় চিন্তা করেছেন এবার একটু চিন্তা করুন । এ বিষয়টি যদি নিজের মধ্যে ধারণ না করতে পারেন তাহলে যখন আপনি ইংরেজিতে কথা বলতে যাবেন তখনই আপনি অনেকটা আটকে যাবেন । 

 

এভাবেই ইংরেজিতে কথা বলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান । হয়তো আপনার এই বিষয়টি নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি করবে ।  কিন্তু তাই বলে আপনি  লজ্জা পেয়ে পিছু হাঁটবেন না ।  চেষ্টা চালিয়ে যান একদিন আপনি সফল হবেন । 

 

  

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *