চাকরির ইন্টারভিউ এর পূর্ব প্রস্তুতি ( Pre-preparation of job interview )

বেকারত্ব আর চাকরি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত । বেকার যুবকরা যতখানি না চাকরির পিছনে দৌড়াচ্ছে , তার থেকে বেশি যেন চাকরি বেকার থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে । বেকারত্ব প্রত্যেকটি যুবকরে জন্য অভিশাপ স্বরূপ । বেকারত্ব জন্য যুবকদের পিছু ছাড়তে চায় না । আরে যুবকের বেকারত্ব ঘোচাতে হলে অবশ্যই চাকরির প্রয়োজন । বর্তমান যুগে চাকরি যেন সোনার হরিণ এর থেকেও মূল্যবান । তাই চাকরি নামক এই সোনার হরিণ পেতে প্রত্যেক যুবকই রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে । অনেকেই আছেন যারা পরিশ্রম না করে বাঁকা পথ দিয়ে চাকরি গ্রহণের চেষ্টা করছে । আর এই বিষয়টি বাংলাদেশ এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ঘুষ দিয়ে চাকরি গ্রহণ যেন আজ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ । এই ঘোষের প্রভাবের কারণে অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী আজ অকালেই ঝরে পড়ছে । আর তাই আমাদের দেশের উন্নতির জন্য হলেও এ ধরনের ব্যবস্থা চিরতরের জন্য মুছে ফেলা দরকার । আর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী যারা আছেন তারা শুধু চাকরির পেছনে দৌড়ালে হবে না এর জন্য প্রয়োজন যথোপযুক্ত প্রস্তুতি । প্রত্যেক চাকরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট হলো ইন্টারভিউ । আর ইন্টারভিউ নাম শুনলেই ছাত্র-ছাত্রীদের মনে কিংবা চাকরি প্রত্যাশীদের মনে ভয়ের সঞ্চার হয় । যা সেই চাকরিপ্রার্থীকে চাকরি থেকে অনেক দূরে ঠেলে দেয় । আমাদের আজকের এই ব্লগপোস্ট থেকে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব আপনি কিভাবে আপনার চাকরির ইন্টারভিউ প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন । চলুন তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক ।

 

চাকরির ইন্টারভিউ এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

 

✅সময় সম্পর্কে সচেতন হোন – সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না । আর একটি সময় একবার চলে গেলে তা আর কখনো ফিরে আসে না । আর চাকরির ইন্টারভিউ সময় চলে গেলে তা আপনি শত চেষ্টা করেও ফেরাতে পারবেন না । কেননা প্রত্যেক চাকরি ইন্টারভিউ এর জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় বেঁধে দেয়া থাকে । আসে সময়ের মধ্যেই চাকরি প্রত্যাশী কে অবশ্যই যথোপযুক্ত স্থানে পৌঁছাতে হয় । আর যে চাকরিপ্রত্যাশী সময়মতো পৌঁছাতে পারবেন না সে যতই দামি হোক না কেন সে ডিসকোয়ালিফাই হয়ে যাবে । তাই আপনি যদি মেধাবী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি সময় জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা রাখবেন এটাই স্বাভাবিক । ইন্টারফেয়ার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে অবশ্যই আপনাকে টাইম ম্যানেজমেন্ট এর দিকে নজর রাখতে হবে । তা না হলে আপনি কখনোই এদেরকে সিলেক্ট হতে পারবেন না । ধরুন আপনার ইন্টারভিউ সকাল দশটার দিকে নির্ধারণ করা হয়েছে । আপনি সময়ে তোয়াক্কা না করেই দশটা বাজার পাঁচ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হয়েছেন । আপনি ভাবছেন 5 মিনিট আপনার জন্য যথেষ্ট ইন্টারভিউবোর্ডে পৌঁছানোর জন্য । অথচ আপনার যাওয়ার পথে ঘটে যেতে পারে নানা ধরনের বিপত্তি । যেমন ধরুন ট্র্যাফিক জ্যাম, ছোটখাটো কোন ইন্সিডেন্ট কিংবা অ্যাক্সিডেন্ট । আবার এগুলো পার হয়ে যাবার পরও আপনি যথাসময়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রবেশ করলেও সেখানেও থাকে কিছু ফর্মালিটিস । যেমন ধরুন আপনার পরীক্ষার আইডি কার্ড আপনার সার্টিফিকেট জমা দেওয়া আপনার ন্যাশনাল আইডি প্রদান করা , এমনকি সিরিয়াল মেনটেন এর মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আর এই সব কিছুর জন্য অবশ্যই আপনাকে টাইম ম্যানেজমেন্ট এর উপর গুরুত্ব দিতে হবে । না হলে উল্লিখিত সবকিছুর একটি মিস হয়ে গেলেই আপনি পড়ে যেতে পারেন মহাবিপদে । যা সত্যিই কোনো চাকরিপ্রার্থী কাম্য নয় ।

 

✅কোম্পানি সম্পর্কে জ্ঞান রাখা – আপনি ভাবছেন আপনি অনেক ব্রিলিয়ান্ট একটি স্টুডেন্ট । আপনি সব কিছুই পারেন । আপনার মধ্যে সব গুণাবলী রয়েছে চাকরিটি পাবার । আর তাই হয়তো আপনি ইন্টারভিউবোর্ডে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন । একটা কথা মাথায় রাখবেন আপনি লিখিত পাশ করা এক কথা আর ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে বড় বড় কর্মকর্তাদের সম্মুখীন হওয়া দুটোই ভিন্ন বিষয় । আমরা প্রত্যেকেই জানি যে আমরা যে কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে চাই না কেন বা যে চাকরি প্রতিষ্ঠান যদি না কেন সে প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণে জ্ঞান থাকতে হবে তা না হলে আমাদের ইন্টারভিউ বোর্ডে যে কোন সময় আটকে যেতে হতে পারে । তাই যে প্রতিষ্ঠানে আপনি ইন্টারভিউ দিতে চান না কেন সে প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে অবশ্যই আপনার স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে । কোন প্রকার অস্বচ্ছতা নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে যাবেন না । আপনি ভাবতে পারেন এতকিছু আমি জানবো কি করে একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে । আপনার জানার জন্য বলছি এখন প্রযুক্তিগত বদৌলতে আপনি ঘরে বসেই যেকোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে পারেন । কেননা বর্তমান যুগে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের একটি করে ওয়েবসাইট বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছে । আর সে ওয়েবসাইটে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তুলে ধরা থাকে । আর সেখান থেকেই আপনি সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে । এছাড়াও গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর সহায়তায় আপনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও জানতে পারেন ।

 

✅নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি টি ভালো করে পড়ুন – চাকরি প্রত্যাশী হিসেবে আপনার তো সারা মাস বছর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিকে নজর রেখেছেন । সব সময় অপেক্ষা করতেন কখন চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হবে । আর আপনি চাকরির জন্য সেই নিয়ম বিজ্ঞপ্তির অনুকূলে আবেদন করবেন । হয়তো এ কারণেই আপনি কোন এক চাকরিতে আবেদন করছেন । আর ভাগ্যক্রমে অথবা আপনার পরিশ্রমের বদৌলতে আপনি চাকরি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন । এবার ইন্টারভিউ এর পালা । আমি যদি বলি আপনার ইন্টারভিউ এর জন্য আপনাকে অবশ্যই আবারো সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি খুব ভালো করে পড়তে হবে । আপনার এই কথা শুনে হাস্যকর মনে হতে পারে । আপনার মনে হতে পারে আমিতো উত্তীর্ণ হয়ে গেছি নতুন করে আবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পারার কি আছে । আপনার জানার জন্য বলছি ইন্টারভিউ বোর্ডে যারা বসে থাকেন তারা আপনাকে সবসময়ই নানা প্রশ্ন করে আটকানোর চেষ্টা করবে । এমনকি নিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকেও নানা ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন । আর ঠিক তখনই আপনি যখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে জানবেন না তখন আপনি আটকে যাবে । আর ঠিক তখনি আপনি অন্যদের থেকে অনেকখানি পিছিয়ে যাবেন চাকরি যুদ্ধ । তাই পিছিয়ে পড়তে না চাইলে অবশ্যই চাকরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে খুব ভালো করে পড়ে যাবেন ।

 

✅ইন্টারভিউ এক্সপার্টদের পরামর্শ নিন – আপনার আশেপাশে এমন অনেকেই আছেন যারা খুব ভালো মানের স্টুডেন্ট । সেই সকল স্টুডেন্টের যারা খুব মেধাবী এবং পরিশ্রম । যারা নিজের যোগ্যতা বলে চাকরি যুদ্ধে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে । যারা ইতিপূর্বে বিভিন্ন ধরনের সরকারি বেসরকারি চাকরির পরীক্ষায় ইন্টারভিউ অংশগ্রহণ করেছেন এবং সফল হয়েছেন । আপনি চাইলেই এরকম মানুষের খোঁজ পেতে পারেন । সময় করে অবশ্যই সে সকল মানুষগুলোর সাথে কথা বলুন । তাদের কাছ থেকে জানবার চেষ্টা করুন । তারা কিভাবে ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে নিজেদেরকে প্রেজেন্ট করেছেন । কি করেই বা তারা চাকরি যুদ্ধে সফল হয়েছেন । সেই সকল মানুষ গুলো আপনাকে ইন্টারভিউ বোর্ডের সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে । তার আপনাকে জানানোর চেষ্টা করবে কিভাবে তারা ইন্টারভিউ বোর্ড এটেন্ড করেছেন । কিভাবে তারা ইন্টারভিউয়ে জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন । তাদের সেই বুদ্ধি পরামর্শ গুলো আপনার বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করুন । তাদের কথাগুলো মাথায় রেখে আপনার ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করুন । এতে করে আপনার ইন্টারভিউয়ের ভয় অনেকাংশেই কমে যাবে ।

 

✅পোশাকের প্রতি বিশেষ নজর দিন – পোশাকের কথা শুনেই আপনারা তো অন্যরকম এক অনুভুতির সৃষ্টি হতে পারে । আপনিতো মনে করবেন পোশাক দেখে তো আপনাকে চাকরি দেবে না তাহলে পোশাক কেন এত গুরুত্বপূর্ণ । আমরা সকলে জানি আগেই দর্শনধারী পরে গুণবিচারী । ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত কর্মকর্তারা যখন আপনাকে দেখবেন আপনাকে দেখে যেন তাদের মনের মধ্যে এক ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয় সেদিকে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে । আর এজন্যই আপনাকে পোশাকের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে । পড়তে হবে মানসম্মত পোশাক । মানসম্মত মানে এই না যে আপনাকে অনেক দামি পোশাক পরতে হবে । মানসম্মত বলতে খানে বোঝানো হয়েছে পোশাকের কালার এবং পোশাকের ধরন । আপনাকে অবশ্যই সঠিক রংগের কালার এবং সঠিক পোশাকটি বেছে নিতে হবে ইন্টারভিউ দেবার জন্য ।

 

✅টেস্ট ইন্টারভিউ প্রদান করুন – টেস্ট ইন্টারভিউ আপনার কাছে নতুন মনে হতে পারে । টেস্ট ইন্টারভিউ বলতে আপনার ইন্টারভিউয়ের অনুরূপ করে আরেকটি ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হওয়া । আপনি এখন বলতে পারেন টেস্ট ইন্টারভিউ কিভাবে সম্ভব । বর্তমান প্রযুক্তি মাধ্যমে টেস্ট ইন্টারভিউ প্রচলন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ফ্রিতেই আপনাকে টেস্ট ইন্টারভিউ প্রদানের সুযোগ তৈরি করে দেয় । আর আপনি সেখানে গিয়ে ইন্টারভিউ এর সাধারণ বিষয় গুলো জানতে পারবেন এবং নিজে কোয়ালিটি ইম্প্রুভ করতে পারবেন । সেই ইন্টারভিউ থেকে আপনার বিভিন্ন ধরনের ভুলগুলো খুঁজে বের করুন সেগুলো যথাসম্ভব শোধরানোর চেষ্টা করুন । আপনার এখন মনে হতে পারে কম্পিউটারে এইসব টেস্ট ইন্টারভিউ আপনার জন্য সম্ভব নয় তাহলে উপায় কি ? এক্ষেত্রে আপনি চাইলে আপনার কোন বড় ভাই বোন কিংবা আপনার বাবা-মা সাহায্য নিতে পারেন । তাদেরকে ইন্টারভিউ কর্মকর্তা সাজিয়ে তাদের সাথেই ইন্টারভিউ পরিচালনা করতে পারে । এতে করে আপনার ভয় সংশয় অস্বস্তিবোধের বিষয়টি একদম কেটে যাবে ।

 

✅নেগেটিভ ভাষা পরিহার করা – ইন্টারভিউ বোর্ডে কোন ধরনের নেগেটিভ ভাষা ব্যবহার করবেন না । আপনি ইন্টারভিউ পড়ে গিয়ে নেগেটিভ ভাষা ইউজ করলে ইন্টারভিউ কর্মকর্তাদের আপনার সম্পর্কে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট তৈরি হবে ‌। এতে করে তারা আপনাকে অন্যদের থেকে পিছিয়ে রাখবেন । আপনার এখন মনে হতে পারে কোন নেগেটিভ উত্তর যদি আপনাকে দিতে বলা হয় তাহলে আপনি কি করবেন ? এমন অনেক নেগেটিভ উত্তর আছে যা আপনি পজিটিভ ভাবে দিতে পারেন । তাই আপনার চেষ্টা থাকবে নেগেটিভ নয় পজিটিভ ভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া ।

 

✅শরীরী ভাষা প্রকাশ করুন – আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে থাকি । এর অন্যতম কারণ হল আগে থেকেই আমাদের ইন্টারভিউ সম্পর্কে এক ধরনের নেগেটিভ ধারণা মনের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় । কিন্তু আমাদের ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে অবশ্যই সাবলীলভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে । আর নিজেকে সাবলীলভাবে উপস্থাপন এর অন্যতম মাধ্যম হল শরীরী ভাষা প্রকাশ করা । শরীরী ভাষা প্রকাশ করা মানে এই নয় আপনি অযথাই ছোড়াছুড়ি করবেন । আপনার কথাবার্তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হাত পা নাড়াচাড়া চেষ্টা করবেন । অবশ্য এ বিষয়ে জন্য আপনাকে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে । না হলে সরাসরি ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে আপনি যদি এরকম করতে চেষ্টা করেন তাহলে গন্ডগোল হয়ে যাবে । তাই আগে থেকেই এই শরীর ভাষা প্রকাশের চেষ্টা করুন । বাসা যখন আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব পাড়া-প্রতিবেশী এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলবেন তখন নিজের শরীর ভাষা প্রকাশের অভ্যাস গড়ে তুলুন । এটা করে আপনার ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে শরীরের ভাষা প্রকাশ করতে সহজ হবে ।

 

চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি পাওয়া যায় অন্যতম লক্ষ্য । কেউই চান না ইন্টারভিউ পর্যন্ত যাবার পরও তিনি চাকরি না পেয়ে ফিরে আসার । বেকারত্ব খুঁজবার জন্য চাকরি প্রত্যেকেরই প্রয়োজন । চাকরি পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইন্টারভিউ ফেস করতে হবে সাবলীল ভাবে । আর সঠিকভাবে ইন্টারভিউ ফেস করার জন্য আপনাকে অবশ্যই উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলো দিকে নজর রাখতে হবে । আশাকরি আপনার বেকারত্ব জীবন ঘুরতে যাবে এবং আপনি আপনার জীবনে সফল হবেন । আমাদের আজকের এই ব্লগ পোস্ট যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ধন্যবাদ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *