কিভাবে আপনার জীবন নতুন করে শুরু করবেন ( How to restart your life )

আপনার হয়তো ইচ্ছে হতে পারে নিজের জীবনকে রিস্টার্ট বাটোনে চাপ দেয়ার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার । কিন্তু আপনি চাইলেও এটা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না । হতে পারে আপনি একটি বিবাহ বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, আপনি খারাপ একটি অভ্যাস পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন, গুরুতর কোন মানসিক বা শারীরিক আঘাত নিরাময় করতে চাচ্ছেন তাহলে আপনার জীবনে রিস্টার্ট বাটনটির গুরুত্ব অনেক বেশি ‌ । আপনি নিজেকে ঠিক কোথায় দেখতে চান তা নির্ধারণ করে আপনার জীবনকে নতুন করে শুরু করতে পারেন । আর এর জন্যই আপনাদের জন্য থাকছে কিছু দিকনির্দেশনা ।

 

নতুন করে জীবন শুরু করার উপায়

 

১) নতুন একটি দিকনির্দেশনা খুঁজে বের করুন

 

✅আপনার ব্যক্তিগত জীবনের মূল্য নির্ধারণ করুন – আপনি আপনার জীবনকে নতুন করে শুরু করতে চাইলে প্রথমে আপনাকে যেতে করতে হবে তা হল আপনার জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা । এতে করে আপনি আপনার জীবনের মূল্য সম্পর্কে অবগত হবেন এবং নতুন করে শুরু করার আগ্রহ ফিরে পাবেন । আর এর জন্য জীবনের মূল্যবোধ গুলি হল বিশ্বাস মতামত এবং ধারণা যা আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ কে পরিচালিত করে এবং আপনার জীবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে । আপনার জীবনকে নিশ্চিতভাবে পুনরায় শুরু করার জন্য নিচের মানগুলো নির্ধারণ করুন –

 

*আপনার ব্যক্তিগত মূল্যবোধ গুলো নির্দিষ্ট করতে একটি সম্মান করুন । নিজেকে জিজ্ঞেস করুন
*কোন বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনি কথা বলতে চান?
*আপনি কি জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চান?
*যদি আপনার বাড়িতে আগুন লেগে থাকে ধরে নিন যে সমস্ত জীব কে উদ্ধার করা হয়েছে , তাহলে আপনি কোন তিনটি জিনিস আপনার সাথে নিতে চান।
*আপনার সমাজ বা পৃথিবীর মধ্যে কোন দিক গুলো আপনি পরিবর্তন করতে চান ?

 

আপনার সেরা সম্ভাবনাগুলো কল্পনা করুন – আপনার পথটি আরও নির্দেশিত করার জন্য এ ব্যাপারে অনুশীলন শুরু করুন । কল্পনা আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি স্পষ্ট করার এবং সেগুলো অর্জনের আরো আমাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার একটি বিশাল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে । আপনি 5, 10 বা 15 বছর পর নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান তা নিয়ে কল্পনা করে কিছুটা সময় ব্যয় করুন ।

 

*এমন কোনো শান্ত পরিবেশ নির্বাচন করুন, যেখানে আপনি কোনো বিঘ্ন ছাড়াই বুঝতে পারবেন ।এবার আপনার চোখ বন্ধ করুন, আপনার মনের চোখে নিজের ভবিষ্যতের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে চিত্র অঙ্কন করুন । আর কল্পনা করুন যে আপনি এই সময়ে সাফল্যের শীর্ষে রয়েছেন । দেখবেন আপনি আপনার সমস্ত লক্ষ বুঝতে পেরেছেন ।
*আপনি কি এই ব্যাপারে ভেবে দেখেছেন যে , আপনার ক্যারিয়ার কি? আপনার জীবনধারা কি ? এবং আপনি কাকে ঘিরে আছেন? আপনি মজার জন্য কি করেন ?
*এইসব কল্পনার মাঝে ঢুকে পড়ুন । তারপর কিছু কাগজে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত লিখুন । আর ভাবুন এই কল্পনা গুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য আপনার কি দক্ষতা বা শক্তির প্রয়োজন ? আর কিভাবেই বা আপনি এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন ?

 

আপনার প্রতিদিনের পছন্দগুলি একবার দেখুন – এটা প্রায়ই দেখা যায় যে বেশিরভাগ লোক এক বছরে কি কি করতে পারে সেটি কে বেশি মূল্যায়ন করে । কিন্তু বর্তমান দিনে কি করতে পারে তা বেশি মূল্যায়ন করেনা । এটা সত্য যে, জীবনের গতিপথ সপ্তাহ মাস এবং বছর নিয়ে গঠিত । যাহোক আপনি প্রতিদিন কি ধরনের কাজ করেন তা চিন্তা করুন । এবার ভাবুন এসকল কাজ বা অভ্যাস গুলো কি আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রয়েছে কিনা ?

 

এবার বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করুন – আপনি আপনার স্বপ্নগুলো কল্পনা করুন এবং আপনি প্রতিদিন কি করছেন তা নির্ধারণ করার জন্য সময় ব্যয় করুন । আর ভবিষ্যতে আপনি যেখানে থাকতে চান , সে ব্যাপারে সুষ্ঠু একটি কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করুন । ধরুন আপনি আগামীকাল কোথাও বেড়াতে যেতে চাচ্ছেন । সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আজকেই এর জন্য একটি পরিকল্পনা করতে হবে । ঠিক তেমনি ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান, সেজন্য আপনাকে পরিকল্পনা করতে হবে । স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং সে গুলোকে ছোট ছোট পদক্ষেপে বিভক্ত করুন । আর এভাবেই আপনি প্রতিদিন আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর দিকে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারেন ।
*উদাহরণস্বরূপ সম্ভবত কল্পনায় আপনি নিজেকে নিজের ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখছেন । এক্ষেত্রে আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে একজন উদ্যোক্তা হওয়া ।

 

৩) ছোট ছোট উপায়ে আপনার জীবনকে সতেজ করে তোলা

 

পিছু হটে যান – রিসেট বোতামটি হিট করার একটি ছোট উপায় হলো পশ্চাদপসরণ এ অংশ নেয়া । আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে কার্যত প্রতিটি পছন্দ অনুসারে পশ্চাদপসরণ রয়েছে । আর আরে পশ্চাদপসরণ আপনার জীবনের নতুন দৃষ্টিকোণ সৃষ্টিতে কিংবা অনুপ্রেরণা যোগাতে অনেকাংশেই সাহায্য করে ।

 

নতুন কিছু শেখা – আপনার দৈনন্দিন জীবন যদি অপ্রতিরোধ্য অনুভব করেন তবে আপনার চ্যালেঞ্জের সাথে আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে হবে । আর এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে নিজের মস্তিস্ককে সজাগ করে তোলা ।

*আপনি নতুন ভাষা শিখতে পারেন, নাচ শিখতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন, মার্শাল আর্টে প্রশিক্ষণের জন্য সন্ধ্যাকালীন ক্লাসে যোগদান করতে পারেন । আপনি যে বিষয়গুলো উপভোগ করছেন সেগুলো আবার বেছে নেয়ার জন্য সেগুলো প্রতিফলন করুন । আপনি যা কিছুই কর না কেন নিজেকে চ্যালেঞ্জ জানাতে , কোনো উপায় খুঁজে নিন এবং আপনার সঠিকভাবে রুটিন কে পুনরায় চেক করুন ।

খেলাধুলা করুন  – আপনার জীবনকে আপনি বর্ণহীন ভাবতে শুরু করতে পারেন । যদি আপনি আপনার সমস্ত সময় কাজ কিংবা দায়বদ্ধতায় ব্যয় করতে শুরু করেন । এই বিষয়টি আপনার মানসিক চাপ থেকে শুরু করে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ । আর এর থেকে বেরিয়ে আসার অন্যতম মাধ্যম হল খেলাধুলা করা হোক সেটা ইনডোর গেম কিংবা আউট ডোর । আপনি চাইলে আপনার বাচ্চাদের সাথে খেলা করতে পারেন ।

 

সঠিক ডায়েট পরিচালনা করুন – প্রক্রিয়াজাত খাবার বা ফাস্টফুড, ক্যাফেনেট এন্ড পানীয় বা অ্যালকোহলের লিপ্ত হওয়ায় , আপনার মেজাজ এবং জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি আরো খারাপ হতে পারে । এই খাবারগুলো একেতো আপনার টাকা পয়সার ক্ষতি করে এবং অন্যদিকে আপনার ঘুম কে প্রভাবিত করে । সুষ্ঠু পরিচালনার মাধ্যমে আপনি আপনার এই নেতিবাচক প্রভাব গুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস খুঁজে পাবেন । এতে করে খাবারের পাশাপাশি আপনার জীবন কে পুনরায় শুরু করার উৎসাহ খুঁজে পাবেন ।

আপনার বাড়ির পরিবেশ সুস্থ রাখুন – আপনার পরিবেশ আপনার মেজাজ কে প্রভাবিত করে । যদি আপনার ঘরটি বিশৃংখল, নিস্তেজ বা এমন ভাবে সজ্জিত হয় যা আপনার ব্যক্তিত্বকে মোটেও প্রতিফলিত করছে না, তাহলে আপনি আপনার বাশাটি কে পুনরায় ডেকোরেটিং এর মাধ্যমে আপনার পছন্দ মত করে সাজিয়ে নিতে পারেন ।

 

বই পড়ুন – আমরা সকলেই জানি বই আমাদের পরম বন্ধু । আর জীবনকে পুনরায় শুরু করতে চাইলে বই পড়ার বিকল্প কিছু নেই । প্রযুক্তি আজকাল বিনোদনের শীর্ষে অবস্থান করছে । খুব বেশি টিভি, ওয়েব ব্রাউজিং বা সোশ্যাল মিডিয়া যদি আপনার ভালো লাগার জায়গা হয়ে থাকে, তাহলে বলতেই হয় আপনি আপনার জীবনের শারীরিক-মানসিক দুটি ক্ষতি একসঙ্গে করছেন । এছাড়াও অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে জীবন সম্পর্কে হতাশ হয়ে বসে পড়ার প্রবণতা অনেকাংশে বেশি দেখা যায় । এর জন্য এই বিষয়গুলো থেকে একটু দূরে থেকে বই পড়ার অভ্যাস নিজের মধ্যে গড়ে তুলুন ।

 

নিজেই নিজের প্রশংসা করুন – আপনি নিজেই নিজেকে যদি ছোট বা হতাশ ভাবেন তাহলে বলতেই হয় আপনি হতাশার সাগরে ডুবে যাবেন । আপনি যখন নিজেই নিজেকে বিরক্ত ভাবতে শুরু করেন, তখন আপনার চারপাশের সবকিছুই বিরক্তিকর হয়ে ওঠে ।আর তাই যথাসম্ভব নিজের প্রশংসা করুন এবং নিজের ভালো দিকগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন । এতে এতে করে আপনি নিজেকে নতুন করে চিনতে পারবেন এবং নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন । নিজের প্রশংসা করার জন্য প্রতিদিন কয়েক মিনিট সময় বের করুন হোক সেটা সকাল কিংবা রাতে । আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন আপনি অত্যন্ত যত্নশীল একটি ব্যক্তি, আপনার হাসিটা অনেক সুন্দর, আপনার চুলগুলো অনেক সুন্দর এবং আপনি যে পোশাকটি পরিধান করেছেন সেটি অনেক ভালো । এভাবে আপনি আপনার নিজের প্রশংসা নিজে করতে পারেন ।

 

স্বেচ্ছাসেবক – সম্ভবত আপনার মনে হতে পারে আপনি স্বার্থপর আচরণ করছেন কিংবা আপনি দিনে দিনে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছেন । আগের থেকে বেরিয়ে আসার অন্যতম একটি উপায় হলো সেচ্ছাসেবক হয়ে যাওয়া । অর্থাৎ আপনি স্বেচ্ছায় কোন সংস্থার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সমাজ আশেপাশের পরিবার কিংবা পরিবেশের সামাজিক উন্নতির জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারেন । এতে করে আপনার নিজের মধ্যে কনফিডেন্ট এবং নিজের যোগ্যতা যাচাই করতে পারবেন । সমাজের জন্য কিছু করতে পেরে নিজেকে অনেক আনন্দিত মনে করবেন আপনি ।

 

প্রতিদিন ধ্যান করুন – ধ্যান করার মাধ্যমে আপনি বর্তমান সময়কে উপভোগ করতে পারবেন এবং চোখ বন্ধ করেও আপনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ পাবেন । এতে করে আপনার ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত হবে । আপনি চাইলে মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন করতে পারেন যা আপনাকে বর্তমান মুহূর্ত সম্পর্কে আরো সচেতন করতে সহায়তা করবে ।

 

৩) কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন

 

অস্বাস্থ্যকর বা অনুৎপাদনশীল অভ্যাস বাদ দিন – আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু খারাপ বা বদভ্যাস রয়েছে । যা আমাদের ক্ষতি করা সত্ত্বেও আমরা সেগুলো কে পরিত্যাগ করতে পারিনা । এটি সত্যিই হতাশাজনক । আপনি অভ্যাসের দাস না হয়ে, অভ্যাসকে আপনার দেশে রূপান্তর করুন। আপনার খারাপ অভ্যাসগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজের মধ্যে নতুন ভালো কিছু অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করুন । আপনি যখন ইতিবাচক অভ্যাস গুলোর সাথে নেতিবাচক অভ্যাসগুলো প্রতিস্থাপন করবেন, তাহলে আপনি আপনার জীবনকে আরও ভাল পরিবর্তনের জন্য তৈরি করতে পারবেন ।

 

ক্যারিয়ারের গতিপথ পরিবর্তন করুন – কর্মক্ষেত্রে অনুপ্রেরণার অভাব আপনার জীবনের অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে অশান্তি বাড়িয়ে তোলে । যেমন ধরুন পরিবারের মানুষদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা কিংবা বন্ধুদের সাথে ভালো নাথাকা । আপনি যদি জীবিকা নির্বাহের জন্য যা করছেন তা পছন্দ না করেন তাহলে আপনার সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া টা খুব কঠিন হয়ে যাবে । তাই জীবিকা নির্বাহের জন্য সেই কাজটি করুন যেটি আপনি মন থেকে ভালোবেসে করতে পারবে । ক্যারিয়ার হিসেবে সেই কাজটি কখনোই করবেন না যে কাজটি আপনি ভালোবাসতে পারবেন না । আপনার সাথে যদি এরকম কি হয়ে থাকে তাহলে বলতেই হয় আপনার ক্যারিয়ারের গতিপথ পরিবর্তনের সময় হয়ে এসেছে ।

 

নতুন জায়গা নির্বাচন করুন – আপনি যেখানে থাকছেন অর্থাৎ আপনার শহরে যদি আপনার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হচ্ছে তবে স্থানান্তরিত হওয়ার সময় । তাই নিজের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য নতুন জায়গা নির্বাচন করা আপনার জন্য অতি জরুরী । আর আপনার নতুন জায়গা নির্বাচনের জন্য আপনি চাইলেই আপনার বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সাহায্য নিতে পারেন । তারা আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আপনার সমস্যাটি সমাধানে সাহায্য করতে পারে ।

 

আপনার স্টাইল পরিবর্তন করুন – স্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি আপনার জীবনকে নতুন ভাবে শুরু করতে পারেন । আপনি যদি মনে করেন আপনার হেয়ার স্টাইল টি আপনার কাছে আর ভালো লাগছে না তাহলে যথাসম্ভব আপনার হেয়ার স্টাইল টি পরিবর্তন করুন । আপনি চাইলে আপনার খাবার পোশাক কিংবা আপনার জীবনধারার স্টাইল এর পরিবর্তন করতে পারেন । আর এভাবে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনার জীবনের বৃহত্তর পরিবর্তন চলে আসবে আপনি বুঝতেই পারবেন না ।

 

খারাপ সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন  – আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা সর্বদা আমাদের ক্ষতির কাজে লিপ্ত থাকে । এমনকি আমাদের কিছু বন্ধুবান্ধব রয়েছে যারা খারাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা তাদের থেকে দূরে থাকতে পারিনা । এ ব্যাপারটি কষ্টসাধ্য হলেও এটা করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী । আমাদের জীবনের যত খারাপ সম্পর্ক গুলো আছে সেগুলো চিহ্নিত করে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এই সম্পর্ক গুলো এড়িয়ে চলা । তাই নতুন কোনো সম্পর্কে জরানোর আগে খুব ভালো ভাবে চিন্তা করুন, সেটি কখনো খারাপ কোন সম্পর্কে বদলে যাবে না তো ?

 

আর্থিক সচ্ছলতার পরিকল্পনা করুন – আর্থিক সচ্ছলতা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । আর্থিক অসচ্ছলতা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অশান্তি ডেকে আনে । আরশি অশান্তিতে আমাদের জীবন একদম বিষাক্ত হয়েছে । তাই সর্বোপরি আমাদের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করা জরুরি । আর এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে আপনাকে অবশ্যই পরিকল্পিতভাবে আপনার অর্জিত অর্থ ব্যয় করতে হবে । আপনার সমস্ত অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে কি কি কাজে লাগছে আপনি কি কি করছেন এই সবকিছুর একটি মাসিক বাজেট নির্ধারণ করুন । এতে করে আপনার ব্যয় কমে যাবে এবং আয় বৃদ্ধি পাবে ।

2 thoughts on “কিভাবে আপনার জীবন নতুন করে শুরু করবেন ( How to restart your life )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *