কিভাবে ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়

কখনো কখনো এদের মনে হতে পারে আপনি সর্বদা আপনার বন্ধু বান্ধব পিতা-মাতারসহ অন্যান্য সকলের সঙ্গে সমস্যায় পড়ে যাচ্ছেন এবং আপনি যা কিছুই করেন না কেন কোন কিছুই যেন ঠিক ঠাক হয়ে ওঠেনা । আর এর জন্য সবথেকে ভাল বিষয়টি হল সমস্যাটি শুরু হওয়ার আগেই সমস্যাটি বন্ধ করে দেওয়া । আপনার জন্য এটি সবসময়ই সম্ভব কোন কিছু নতুন করে শুরু করা । আপনার পরিবর্তনের জন্য আপনি চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন । এর জন্য আপনাকে প্রথমে কিছু প্রচেষ্টা করতে হবে তবে এটি কার্যকর হবে । এবার আমরা একে একে জেনে নিব কিভাবে ঝামেলা থাকে দূরে থাকা যায় ।

 

ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়

 

একটি ক্রীড়া দলে যোগদান করুন  – প্রথমেই যে কাজটি করতে হবে তা হলো আপনাকে কোনো একটি ক্রীড়া দলে যোগদান করতে হবে হোক সেটা কোন স্কুল, কলেজ বা আপনার এলাকার । ঝামেলা থেকে বাচার দুর্দান্ত উপায় এটি । আপনি ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, বেসবল বা অন্যান্য যেকোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন । এতে করে আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের মজাদার মানুষের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ পাবেন এবং ঝামেলার থেকেও ভালো কিছু করার সুযোগ পাবেন । এভাবে মানুষের সাথে অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করুন ।

*আপনি চাইলে কোন ক্রিয়া দলের দলনেতা হিসেবে যোগদান করতে পারেন এতে করে আপনার নতুন দায়িত্ব তৈরি হবে এবং পূর্বের ঝামেলা থেকে আপনি নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন

*একটি স্পোর্টস দলে যোগদান আপনাকে সাপ্তাহিক অনুশীলনও সরবরাহ করবে , যা আপনাকে শান্ত হতে সহায়তা করবে এবং আপনার এলার্জিকে ভুল উপায়ে ব্যবহার থেকে বিরত রাখবে ।

 

একটি ক্লাবে যোগদান করুন – খেলাধুলা যদি আপনার পছন্দ না হয়ে থাকে আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের সাম্প্রদায়িক সংগঠন রাজনৈতিক কিংবা অন্যান্য আপনার পছন্দের মত কোন সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারেন । আপনি আর্ট ক্লাব দাবা ক্লাব ফরাসি ক্লাব রান্না ক্লাব ডিবেটিং ক্লাব বা অন্যান্য ক্লাবের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন যা আপনার যত্ন নেওয়ার বিষয়ে আপনাকে মনোযোগী কেন্দ্রীভূত করতে সহায়তা করতে পারে । আর যখন আপনি বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বেন তখন সেই সকল সংগঠনগুলোর প্রতিনিয়ত কোন না কোন কর্মসূচি থাকবে । আর এর ফলেই আপনি হয়ে যাবেন মহা ব্যস্ত একজন মানুষ । ফলে আপনার পূর্বের ঝামেলা অনেকাংশেই আপনার মাথা থেকে বেরিয়ে যাবে , আর আপনার মাথায় প্রবেশ করবে বিভিন্ন ধরনের সংগঠনের নানা রকম রং বেরঙের কর্মসূচি গুলো ।

 

স্বেচ্ছাসেবায় নিয়োযিত থাকুন – স্বেচ্ছাসেবক হলো যেকোনো সমস্যা থেকে দূরে থাকা এবং সেই সমস্যার দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করার একটি দুর্দান্ত উপায় । আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই আপনার এলাকার বা বিদ্যালয়ের আশেপাশে কোন অভাবী লোকদের সমস্যা কাটিয়ে তুলতে পারেন তাহলে দেখবেন অশান্তি সৃষ্টি করার মতো কোনো লোকজন আর খুঁজে পাবেন না । আপনি যদি খুব কম বয়সী হয়ে থাকেন , তাহলে আপনার পিতা-মাতা সাহায্য নিয়ে কোন স্বেচ্ছাসেবীর ইভেন্টে যোগদান করতে পারেন । সেখানে অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে আপনি স্থানীয় পার্ক পরিস্কার করা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে ফেলতে পারেন । আপনার মন মত অর্থপূর্ণ কোন কিছু সন্ধান করুন যা আপনাকে সেটিস্ফাইড করতে সক্ষম । এই বিষয়টি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার করুন এবং নিজেকে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ করুন। এভাবে আপনি নিজেকে ব্যস্ত করে তুলতে পারেন যাতে করে আপনার ঝামেলা নিজের থেকেই দূর হয়ে যায় ।

 

একটিভ ছাত্র বা ছাত্রী হন – এমন অনেক ঝামেলায় রয়েছে যা আপনাকে সরাসরি ক্ষতিও করবেনা, এমনকি আপনাকে সোজা হয়ে উঠত দেবেনা । আপনি যদি একজন একটিভ ছাত্র বা ছাত্রী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি বুঝতেই পারছেন ,আপনার কোন দিকে মনোনিবেশ করার কোন সুযোগই থাকবে না । আপনি সব সময় ব্যস্ত থাকবেন নানা ধরনের প্রজেক্ট ক্লাস এর পড়াশোনা পরীক্ষা ইত্যাদি নিয়ে । আপনি যদি সত্যি কারের ভালো ছাত্র হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার পিতা-মাতাসহ আপনার ক্লাস শিক্ষকদের কাছে কোনোভাবেই কখনোই বিরক্তির কারণ হয়ে উঠবেন না । ফলে আপনার বাড়তি কোনো ঝামেলাও তৈরি হবে না ।

*এমন কয়েকটি বিষয় অনুসন্ধান করুন যার বিষয় আপনি সত্যিই আগ্রহী এবং সেগুলো সম্পর্কে যতটা সম্ভব আপনি তা জানার জন্য কাজ করুন । আপনাকে একেবারে আকর্ষণীয় সব কিছু খুঁজে বের করতে হবে না, তবে কমপক্ষে একটি বা দুটি বিষয় বাছাই করুন যা আপনাকে বোঝায় আপনি ব্যতিক্রম কিছু করতে পারেন ।

*আপনার রেজাল্ট কিংবা গ্রেট উন্নতির জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন । আপনাকে প্রতিটি পরীক্ষায় নিখুঁত স্কোর পেতে হবে না, তবে আপনি রেজাল্ট ভালো করার লক্ষ্যে নিজেকে একধাপ উপরে নিয়ে যেতে পারেন ।

 

আপনি যতটা পারেন পড়ুন – বই পড়ার কোন বিকল্প নেই । তবে সেটা তো শুধু আপনার সিলেবাসভুক্ত বই হতে হবে এর কোন মানে নেই । সিলেবাসভুক্ত বইয়ের বাইরেও অনেক বই রয়েছে যা আপনার মনকে শান্ত এবং শান্তিতে রাখতে পারে । বই পড়া আপনার শব্দভাণ্ডার এবং বোধগম্য দক্ষতা উন্নতি করতে সাহায্য করে । আবার জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান হতে এবং বিশ্বকে নতুন রূপে দেখতে সহায়তা করে । এমনকি আপনি যদি পড়াশোনা মধ্যে থাকেন, তাহলে আপনি নতুন করে আবার কোন সমস্যাও পড়ছে না । একটি গল্পের বই আপনাকে খুব ভালো সময় কাটাতে এবং পুরো নতুন বিষয়ে স্থানান্তরিত করতে সহায়তা করতে পারে , এমন একটি বিশ্ব যেখানে আপনি কেবল পর্যবেক্ষক হয়ে থাকেন । প্রতি রাতে শোবার আগে মাত্র 20 মিনিটের জন্য পড়া শুরু করুন । এতে করে বই পড়ার মতো ভালো একটি অভ্যাস আপনারা জীবনের মত তৈরি হতে পারে ।

 

নতুন কিছু তৈরি করুন – সৃজনশীলতা ঝামেলা থেকে দূরে থাকার আরো একটি চমৎকার উপায় । আপনি একটি নাটক লিখতে পারেন এবং এই নাটকটি আপনার বন্ধুদের সাথে সঞ্চালনা করেন পারেন । আপনি চাইলে গল্প লিখতে পারেন ছবি আঁকতে পারেন এমনকি একটি সিরামিকের পাত্র বানাতে পারেন । এছাড়াও আপনার ঘরকে সাজিয়ে তুলতে অন্যান্য অনেক সৃজনশীল কাজ সম্পাদন করতে পারেন । এতে করে আপনার সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার অযথাই কোন সময় নষ্ট হওয়া কিংবা নতুন কোনো ঝামেলায় পড়ার কোন সুযোগ থাকবে না ।

 

আপনার প্রবৃত্তি অনুসরণ করুন – আপনিও দিতে সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন কারণ আপনি নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেননি । আপনি যদি আপনার প্রবৃত্তিগুলো আপনাকে । আপনি যদি মনে করেন আপনার ওই কাজটি করা ভালো নয় কিংবা ওই মানুষগুলোর সঙ্গে মেলামেশা উচিত নয় । তাহলে আপনি ওই মানুষগুলো কিংবা ওই কাজগুলো থেকে দূরে থাকুন । তাহলেই দেখবেন ওই মানুষগুলো কিংবা ওই কাজগুলোর দ্বারা আপনি নতুন সমস্যায় পরবেন না ।

 

পরিবারের সাথে সময় কাটান – পরিবার এমন এক জায়গা যেখানে আপনি নিরাপদ এবং নিজেকে ভালোবাসায় সিক্ত এমনটা বোধ করেন । আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে আপনার যতটা সম্ভব সময় ব্যয় করা উচিত, যাতে আপনার চারপাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে । আপনি চাইলে আপনার মা-বাবা সাথে বাসায় কোন সিনেমা নাটক দেখতে পারেন বা খাবার টেবিলে বসে ও নানা ধরনের টপিক নিয়ে কথা বলতে পারেন । আপনার বাচ্চা কিংবা বোন কিংবা ভাইকে তার কোনো প্রজেক্টে সহায়তা করতে পারেন । এতে করে আপনার মনে প্রশান্তি মিলবে । আপনার পরিবার আপনার যেকোনো পরিস্থিতিতেই আপনার সঙ্গে থাকবে এবং আপনাকে সহায়তা করবে । তাই আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে একটি স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

*আপনি যখন নিজের পরিবারের সাথে বেড়াতে যাচ্ছেন তখন সমস্যায় পড়ার সুযোগ পাবেন না তাই না ?

*নিজের জন্য সাপ্তাহিক রুটিন তৈরি করুন প্রতি সপ্তাহে আপনি আপনার পরিবারের জন্য কি কি সাহায্য করতে পারেন । যেমন ধরুন আপনার পরিবারের বাজার ঘাট, আপনার বাবা মাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া, এবং ছোটদের সঙ্গে খেলাধুলা করা ইত্যাদি ।

 

ভুল মানুষদের এড়িয়ে চলুন – বলা হয়ে থাকে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ । আপনি একটু ভেবে দেখুন তো আপনি মূলত কাদের দ্বারা সমস্যায় পড়েছেন । এমনটি কি কখনোই হয়েছে, যে আপনি ভালো কোন মানুষের দ্বারা বিপদে পড়েছেন । তবে এটা ঠিক ভুল মানুষের দ্বারাই আমাদের সবসময় কোন না কোন সমস্যা হয়েছে । তাই সমস্যা এড়িয়ে চলতে চাইলে ভুল মানুষদের যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন । এমনটি হতে পারে আপনি যে সমস্যায় পড়েছেন তার আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে পারে । যদি এমনটি হয় তবে নতুন কোন বন্ধু খুজে বের করার সময় হয়েছে । এখানে বলতেই হয় দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো ।

 

আপনার শিক্ষকদের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলুন – ঝামেলা থেকে বাচার আর একটি মাধ্যম হলো আপনার শিক্ষকদের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা । এর মানে এই নয় যে তাদের সঙ্গে চুষিপনা করতে হবে কিংবা ভালো ছাত্র হতে হবে । শিক্ষকদের সাথে ভালো ব্যবহার এর মাধ্যমে তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব । শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান করা , রাস্তাঘাটে দেখা হলে কথা বলা, তাদের কথা মত চলার মাধ্যমে একটা শিক্ষকের নিকটে আসা সম্ভব ।

 

আপনার রোল মডেল নির্বাচন করুন  – প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে কোনো না কোনো রোলমডেল থাকে । হতে পারে সেটা আপনার বাবা-মা , আপনার শিক্ষক কিংবা অন্য কেউ । সে যেই হোক না কেন আপনার ভালো লাগা বা আপনার রোল মডেলের কর্মকান্ড গুলো অনুসরণ করুন । আপনার প্রিয় ব্যক্তিত্বটি কি কি ভালো কাজগুলো করেছে সেদিকে নিজেকে নিজেতো রাখুন ।

 

সমালোচনা এড়িয়ে চলুন – যেকোনো ধরনের বিরোধ এড়ানোর একটি উপায় হল গসিপ না করা । আপনি নিজের শিক্ষক আপনার সহপাঠী আশেপাশের আপনার বন্ধুবান্ধব এমনকি আপনার চাচাতো ভাইদের সম্পর্কেও গসিপ করবেন না । এতে করে তাদের তাদের সাথে আপনার বিবাদের সুযোগ তৈরি হবে । তাই যত পারেন তত কম সমালোচনা করুন । আপনি যদি কোনো মানুষের সম্পর্কে খারাপ সমালোচনা করেন, তাহলে আপনার সাথে একই সমালোচনা হওয়া সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায় ।

 

অযৌক্তিক লোকের সাথে যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করবেন না  – অনেক ঝামেলায় পড়ার অন্যতম কারণ এটি । আমাদের জীবনের এমন অনেক সময় আসে যখন আমরা অযৌক্তিক লোকের সঙ্গে যুক্তি দেখানোর প্রবণতা সৃষ্টি হয় । তখন আমরা দিকবিদিক চিন্তা না করে সেই লোকটিকে একের পর এক যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করি । এতে করে সেই লোকটি তো কিছু বোঝার চেষ্টা করেনি না , উল্টো ঝামেলা বাধিয়ে ফেলে ।

 

লড়াই এড়িয়ে চলুন  – লড়াই অনেক ধরনের হতে পারে শারীরিক-মানসিক অর্থনৈতিক বা অন্য কিছু । আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত সব ধরনের লড়াই থেকে নিজেকে বিরত রাখা । লড়াই নিজের শারীরিক কিংবা মানসিক শান্তি বিনষ্ট করে । আপনি এটা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবেন যে, এমন অনেক লোক রয়েছেন যারা সর্বদা নানা ধরনের লড়াইয়ে নিজেকে যুক্ত করে থাকেন । এবং সেই সকল মানুষ গুলো সবসময়ই কোনো না কোনো ঝামেলায় যুক্ত থাকেন । তাই ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য যেকোনো ধরনের লড়াইকে পরিহার করুন ।

 

সবার সাথে বিনয়ী আচরণ করুন – বিনয়ী হওয়া অনেকাংশে আপনাকে ঝামেলা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে । সালাম দেয়া , ধন্যবাদ বলা, প্লিজ বলা, বিদায় বলেও ইত্যাদি বলে আপনি বিনয় প্রকাশ করতে পারেন । ভালো ব্যবহারের অভ্যাস এবং ভালো সামাজিক দক্ষতার বিকাশ আপনার জীবন জীবন জুড়ে আপনাকে সহায়তা করবে এবং নিজেকে সমস্যা থেকে দূরে রাখার এটি দুর্দান্ত উপায় । আপনি যদি দেখেন কোন ঝামেলার উপক্রম তৈরি হচ্ছে তাহলে সেখানে দুঃখিত বলে সে ঝামেলাটি মিটিয়ে ফেলতে পারেন ।

 

নিজের যত্ন নিন  – ঝামেলায় থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল নিজের যত্ন নেয়া । আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিন স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং প্রতিদিন ব্যায়াম করতে পারেন এতে করে আপনার শরীর মন দুটি ভালো থাকবে । আর আপনার মন শরীর ভালো থাকলে কখনোই আপনি কোন বিবাদ বা কলহে জড়াবেন না ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *