কিভাবে স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করবেন

কথায় আছে স্বাস্থ্যই সম্পদ । আর স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল । স্বাস্থ্যকরতা হলো ব্যক্তিগত কল্যাণ সাধনের দিকে লক্ষ রেখে কর্মের পরিকল্পনা করা । ব্যক্তিগত সুস্থতার অনেকগুলো দিক রয়েছে এবং সর্বোত্তম সুস্থতার জন্য প্রতিটি কে অবশ্যই পালন করা বিকাশ করা এবং সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখতে হবে । সুস্থতার পরিকল্পনার জন্য এই বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত যেমন – শারীরিক মানসিক আর্থিক সংবেদনশীল সামাজিক পেশাগত আর্থিক এবং পরিবেশগত ।

 

স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরীর উপায়

 


✅এমন দিক গুলো নির্বাচন করুন যেগুলো উন্নতি করা সম্ভব – সুস্থতার প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে কতটা সন্তুষ্ট বোধ করছেন সে সম্পর্কে নিজেকে অবগত করুন । আর এভাবে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে একটি স্বাস্থ্যের উন্নতির পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন ।প্রতিটি ক্ষেত্রকে 1 থেকে 10 নাম্বারের মধ্যে রেংকিং করুন । যার মধ্যে এক হচ্ছে অতি দুর্বল একটি ক্ষেত্র কোন দিকে 10 নম্বরটি হচ্ছে অতি সবল একটি ক্ষেত্র ।এর থেকে আপনি খুব সহজে এটা নির্ধারণ করতে পারবেন যে আপনার কোন কোন ক্ষেত্রগুলোতে মনোযোগ এর প্রয়োজন খুব বেশি ।তবে আপনাকে এটা মনে রাখতে হবে যে আপনার স্বাস্থ্যের প্রতিটি ক্ষেত্রই অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সঙ্গে সম্পর্কিত । তাই প্রতিটি ক্ষেত্রই আপনাকে খুব ভালোভাবে মেইনটেন করে চালিয়ে যেতে হবে ।

 

✅লক্ষ্য স্থির করুন – এবার আপনি যে ক্ষেত্রগুলোকে উন্নতি করার জন্য বেছে নিয়েছেন তার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন ।প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনি যে লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে চান তা লিখুন । অর্জন করতে পারেন এমন সব স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যগুলো তৈরি করুন যা আপনাকে ক্রমান্বয়ে বৃহত্তর দীর্ঘমেয়াদী লোকগুলোর দিকে ধাবিত করতে পারে ।দেখবেন আপনার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য গুলো যুক্তিসঙ্গত এবং কার্যত । যেমন আপনি যদি 25 বছর বয়সী হন একটি যুক্তিসঙ্গত দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হল আপনার 65 বছর বয়সে অবসর নেন যা আপনার শরীরের সুরক্ষা হতে পারে । কোন নদীকে একটি অযৌক্তিক লক্ষ্য হলো ত্রিশ বছর বয়সে বিলিনিয়র হয়ে উঠবেন ।
সর্বোপরি ধৈর্য ধারণ করুন । কোন পরিবর্তনই রাতারাতি ঘটনা এমনকি খুব সহজে হয়ে যায় না । তবে এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে যে , কোন কিছু তৎক্ষণাৎভাবে পরিবর্তন না ঘটলে , আপনাকে হতাশ হওয়া যাবে না । আপনাকে পুরোদমে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।



✅আপনার অগ্রগতি ট্র্যাক করুন অথবা নজর রাখুন – এমন একটি চার্ট বার জানাও তৈরি করুন যেখানে আপনি আপনার সুস্থতা প্রতিদিন এমনকি প্রতিটি লক্ষ্যগুলো লিপিবদ্ধ করতে পারবেন । যার একটি সঠিক রুপরেখা থাকবে । যা দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি ঠিক কোন দিকে এগোচ্ছেন ।আপনার সুস্থতা অগ্রগতি গুলো লক্ষ্য করার জন্য একটি ক্যালেন্ডার নির্বাচন করুন এবং গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও চেক পয়েন্ট গুলো চিহ্নিত করুন । যেখানে আপনি আপনার অগ্রগতি গুলো দেখতে পারেন । আপনার সুস্থতা বেশ লাইন স্থাপনের মাধ্যমে শুরু করুন এটি লিখে রাখুন তারপর এক বা দুই মাস পর আবার সেটা চেক ইন করুন ।আপনি ইতিমধ্যে যা অর্জন করেছেন সেগুলো আপনার ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

 

✅আপনার সুস্থতা পরিকল্পনা আপডেট করুন – আপনি যখন খুব বড় আকারে ব্যক্তিগত সুস্থতার বিকাশ ঘটানো যাবেন,তখন আপনি নির্দিষ্ট লক্ষ্য গুলি আপনার প্রত্যাশার চেয়ে কম বা কম সময় নিতে পারেন । যদি আপনি সেগুলো নিয়মিত আপডেট করেন । আপনি আপনার সুস্থতা পরিকল্পনার দিকগুলো খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন এবং ভাবুন কোন কোন বিষয় গুলোতে আপনার পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে । আর সেগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিবর্তন করুন । প্রতি মাসে অন্তত দুবার করে আপনার পরিকল্পনাগুলোকে পুনরায় মূল্যায়ন করুন । আর এভাবে আপনি আপনার ব্যক্তিগত অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার সুস্থতা পরিকল্পনাটি আপডেট রাখবেন ।

 

✅নিজের সাপোর্টার তৈরি করুন – স্বাস্থ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য সাপোর্টার তৈরি করা অনেকাংশেই কাজ দিয়ে থাকে । আপনি সেই সকল সাপোর্টার তৈরি করুন যারা আপনাকে স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অনুপ্রেরণা দেবে । এমন অনেকেই থাকবেন যারা আপনাকে পিছু টেনে ধরবে যথাসম্ভব তাদের এড়িয়ে চলুন । আপনার সমর্থকদের আপনার স্বাস্থ্যের পরিকল্পনা বিষয়ে যথাসম্ভব অবগত করুন যাতে করে তারা আপনাকে উৎসাহ দিতে পারে এবং প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করতে পারে ।প্রয়োজনে কোনো পেশাদার ব্যক্তির পরামর্শ কিংবা সহায়তা নিন । উদাহরণস্বরূপ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অর্জনের জন্য আপনি যদি আপনার ডায়েট এবং পুষ্টির মতে করতে চান তবে আপনি কোন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করতে পারেন ।আপনি যদি আর্থিক সচ্ছলতার কথা চিন্তা করেন তাহলে কোন আর্থিক পরামর্শদাতার কাছে যেতে পারেন ।আপনার সুস্থতার বিভিন্ন দিকের কথা চিন্তা করে বন্ধুবান্ধব ইস্ত্রি আত্মীয়-স্বজন কিংবা পরিবারের সহায়তা নিতে পারেন ।

 

✅আপনার বর্তমান শারীরিক সুস্থতা কিরূপ তার মূল্যায়ন করুন – আপনার শারীরিক সুস্থতা পুষ্টি এবং চিকিৎসা সেবার অন্তর্ভুক্ত । তাই আপনাকে যথাসম্ভব পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং নিয়মিতভাবে মেডিকেল চেকআপ করতে হবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এছাড়া আপনি ধূমপান, অ্যালকোহল ও বিভিন্ন ধরনের বিনোদনমূলক এড়িয়ে চলুন । যা আপনার স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমিয়ে আনবে । আপনার শারীরিক সুস্থতা মূল্যায়ন করার সময় নিচের দিকগুলো বিবেচনা করুন । আপনার শারীরিক লক্ষ্য কি? আপনি কি ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক খোঁজার ব্যাপারে আগ্রহী নাকি আপনার এমন কোন প্রশিক্ষক আছেন যার দ্বারা আপনি পরামর্শ নিতে পারেন ।আপনি কি কোন ফিটনেস ট্রেইনার খুঁজছেন?যে আপনাকে নিয়মিত আপনার ফিটনেস সম্পর্কে সজাক করবে ।আপনি কি পেশিশক্তি তৈরি করতে চান বা আপনি স্টামিনা এবং ধৈর্য বাড়ানোর জন্য আগ্রহী ?

 

✅আপনার পুষ্টি সুস্থতার স্থর সঠিকভাবে মূল্যায়ন করুন – পুষ্টিকর সুস্থতা আপনার দেহের কতটুকু পুষ্টিকর এবং সমর্থন যুগিয়েছে তা নিয়ে কাজ করেন । অর্থাৎ আপনার দেহের পুষ্টির পরিমাণ নির্দেশ করে ।  এই স্তরে আপনার বর্তমান ডায়েট খুব ভালোভাবে মূল্যায়ন করুন যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো কাজ করছে তা বিবেচনা করুন । এক্ষেত্রে আপনার কোন কোন ক্ষেত্রগুলোতে উন্নতি প্রয়োজন তা নোট করুন ।

 

✅আপনার মানসিক সুস্থতার স্তর মূল্যায়ন করুন – মানসিক সুস্থতা হলো শারীরিক সুস্থতার এমন একটি দিক যেখানে আপনার কঠিন পরিস্থিতিতে গুলোতে আপনি ঠিক কী রকম থাকেন এবং আপনার আবেগ গুলো কতটা ভারসাম্যহীন এবং আপনার নিজের প্রতি আপনার নিজের কতটুকু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা নির্দেশ করে ।আপনার বর্তমান মানসিক সুস্থতা বিবেচনা করুন । আপনার কোন আবেগ গুলো আপনি প্রায়শই মোকাবেলা করেন ? সেই আবেগ গুলোর সাথে আপনি কিরুপ আচরণ করেন? আপনার মানসিক অবস্থার সাথে এই আবেগ গুলোর কোনও পরিবর্তন বা উন্নতি করতে চান?

 

✅আপনার আধ্যাত্মিক সুস্থতার স্তরটি মূল্যায়ন করুন – আধ্যাত্মিক সুস্থতা ধর্ম বা ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সম্পর্ককে নির্দেশ করে না । তবে আপনি কিভাবে জীবনের অর্থ এবং নিজেকে কোন অবস্থানে উপলব্ধি করেন সে সম্পর্ককে নির্দেশ করে ।এ স্তরে আপনারা দাতে সূত্র সুস্থতার বর্তমান স্তরটি বিবেচনা করুন । আপনি আপনার জীবনকে কীভাবে অনুভব করছেন? আপনার অনুভবগুলো আপনার বাস্তবিক জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কিনা?

 

✅আপনার সামাজিক সুস্থতার স্তরটি মূল্যায়ন করুন – আপনি কিভাবে বিশ্ব বা সমাজে আপনাকে দেখতে চান এবং সমাজে আপনার ভূমিকার সাথে আপনি কতটা সামঞ্জস্য তার সাথে সামাজিক সুস্থতা বিশেষভাবে জড়িত ।আপনি কি সামাজিকভাবে সুরক্ষিত আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন?আপনি কি সহজে কোনো সামাজিক কাজে নিজের সক্ষমতা বিবেচনা করতে পারেন ?

 

✅আপনার পেশাগত সুস্থতার স্তরটি মূল্যায়ন করুন – ব্যক্তিগত অসুস্থতার এই দিকটি আপনার কাজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রাখার পাশাপাশি একটি ফলস্বরূপ সমৃদ্ধ কেরিয়ারের পথকে সুগম করে ।আপনি কি নিজের কাজ এবং কর্ম জীবনে সন্তুষ্ট ?আপনি কি আপনার কর্মক্ষেত্রে প্রশংসিত ?আপনি কি আপনারা কাজে নিজেকে সমৃদ্ধ বোধ করেন । আপনার বর্তমান কাজে আপনার ক্যারিয়ার নিয়ে আপনি কি সন্তুষ্ট ?

 

✅আপনার আর্থিক সুস্থতার স্তরটি মূল্যায়ন করুন – আর্থিক সুস্থতা আপনার আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং স্বাস্থ্য কে স্থিতিশীল রাখে । আপনার ভবিষ্যৎ কি আর্থিকভাবে সুরক্ষিত? আপনার আর্থিক বিষয়টি বাজেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ? আপনারা আয় এবং ব্যয় কি সামঞ্জস্যপূর্ণ ?

 

✅আপনার পরিবেশে সুস্থতার স্তরটি মূল্যায়ন করুন – সুস্থতার এই দিকটি আপনার পরিবেশ সচেতনতার সাথে সম্পর্কিত । আপনার সামগ্রিক মঙ্গল আপনার চারপাশের পরিবেশের মঙ্গলের সাথে অনেকাংশে জড়িত ।আপনি যেখানে থাকছেন সেখানে কি তাজা বাতাস জল এবং রোদের কমতি রয়েছে ?যখন আপনি আপনার পরিবেশ সম্পর্কে বলতে চান তখন কি থেমে থেমে যাচ্ছেন ‌?আপনি কি আপনার পরিবেশের জন্য সচেতনভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছেন ?

 

✅শারীরিক সুস্থতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন – আপনার ব্যক্তিগত সুস্থতা শারীরিক সুস্থতার সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত । আপনার প্রাথমিক লক্ষ্য গুলো সহজ এবং সহজেই অর্জন করতে পারেন এমনসব লক্ষ্যগুলো নির্বাচন করুন । আপনি নিশ্চয়ই বল পায়ে গোলের জন্য হতাশ হতে চান না ।আপনি চাইলে স্থানীয় ফিটনেস সেন্টারে গিয়ে সার্বিক মূল্যায়ন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারেন । শারীরিক সুস্থতার লক্ষ্য নির্ধারণের আগে আপনাকে অবশ্যই ভালো কোনো চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে ।আপনি শুরুতে নিয়মিত হাঁটা দিয়ে শুরু করতে পারেন । আপনি যদি গাড়ি ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে আপনার গাড়িটি দূরে পার করে হেঁটে আপনার গন্তব্য স্থলে যেতে পারেন । এমনকি আপনি লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন । আপনি যেই ব্লকে থাকছেন তার চারদিকে হাঁটুন ।আপনার ওজন বেশি হলে হূদরোগ শ্বাসকষ্টজনিত রোগ , বাত ব্যথা কিংবা অন্য কোনো গুরুতর রোগে ভুগে থাকলে অতিসত্বর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন । যাতে করে সেই চিকিৎসক আপনার সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।

 

✅আপনার পুস্টি সুস্থতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন – সঠিক পুষ্টি সুস্থতার জন্য আপনাকে সঠিক ডায়েট চার্ট মেনে চলতে হবে । এক্ষেত্রে আপনি কিছু তুলনামূলক সহজ নিয়ম দিয়ে শুরু করতে পারেন ।আপনি এমন কোন পুষ্টিবিদের সাথে কথা বলার চিন্তা করতে পারেন । যিনি আপনাকে আপনার শরীরের জন্য আদর্শ পুষ্টি নির্ধারণ করে আপনাকে সহায়তা করতে পারেন ।নিজেকে যতটা সম্ভব তাজা প্রাকৃতিক খাবারে অভ্যস্ত করুন ।আপনি লাল মাংস খাওয়া বিষয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখুন । এক্ষেত্রে আপনিই মাছের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারেন ।আপনার ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন ।পরিমাণ মতো জল পান করুন । পানি পান করা আপনার শারীরিক সুস্থতা অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলবে ।বাজে খাবার গুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখুন ।

 

✅মানসিক সুস্থতার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন – আপনি যদি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে থাকেন সেখানে মানুষের সুস্থতার জন্য সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন । আপনি যদি হতাশা উদ্বেগ বা অন্য কোন মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার এখনই সময় সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে এর থেকে বেরিয়ে আসা । হতাশা উদ্বেগ এবং চাপ কমাতে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি আপনি চাইলে অবলম্বন করতে পারেন ।নিঃশব্দে প্রতিদিনের আরামের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করুন ।খুব বেশি বিরক্ত লাগলে চুপ করে থাকুন অথবা হাঁটুন । এছাড়া আপনি বই পড়া বাগান করা সিনেমা দেখা ইত্যাদি মতো বিভিন্ন বিষয়গুলো উপভোগ করতে পারেন ।ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির অনুশীলন করুন । যেমন ধরুন হ্যাঁ আমি পারবো , আমি সফল, আমি ভালো আছি, আমি ভালো থাকবো ইত্যাদি।

 

✅আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন – আপনি মানসিক সুস্থতার জন্য যে কৌশলগুলো অবলম্বন করবেন । ঠিক একই কৌশল অবলম্বন করে , আপনি চাইলেই আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারেন । এক্ষেত্রে আপনি যতটা পারেন নিজেকে শান্ত রেখে সার্বিক দিক বিবেচনা করতে পারেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *